শান্তিকাল ও যুদ্ধাবস্থায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কৌশলগত ভূমিকা, সক্ষমতা এবং সদস্য মোতায়েন পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) মিরপুর সেনানিবাসে অবস্থিত ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) আমন্ত্রণে চলমান কোর্সের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ বিষয়ে বক্তৃতা দেন।
‘শান্তি ও যুদ্ধাবস্থায় আনসার-ভিডিপির ভূমিকা’ শীর্ষক উপস্থাপনায় তিনি বাহিনীর ইতিহাস, সাংগঠনিক কাঠামো, বর্তমান সক্ষমতা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তাসহ মোট ৩৫৩ জন অংশ নেন। তাদের মধ্যে দেশি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিদেশি প্রশিক্ষণার্থীও ছিলেন।
বক্তৃতায় ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে আনসার সদস্যদের অবদান এবং স্বাধীনতার পর দেশের নিরাপত্তা ও জনকল্যাণে বাহিনীটির ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
মহাপরিচালক বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও কৌশলগত স্থাপনা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় আনসার-ভিডিপির সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন।
দুর্যোগ মোকাবিলা, নির্বাচনকালীন দায়িত্ব এবং সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন জাতীয় কর্মকাণ্ডেও বাহিনীর সদস্যরা দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত সদস্যভিত্তিক আনসার-ভিডিপিকে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন বাহিনীর মহাপরিচালক।
উপস্থাপনা শেষে উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে কোর্সে অংশ নেওয়া দেশি ও বিদেশি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
সংশোধনী: মূল তথ্যে ২১ জুলাই ২০২৫-কে মঙ্গলবার বলা হয়েছিল। দিন-তারিখ অনুযায়ী সঠিক তারিখ মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬।