ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠে সক্রিয় আ.লীগ বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ১৫ কোটি ৬২ লাখ টাকার বেশি সম্পদের মালিক প্রধান উপদেষ্টা হিরো আলমকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ আদালতের নির্বাচনের ছুটিতে এটিএম বুথ সচল রাখতে বিশেষ নির্দেশনা নির্বাসন পেরিয়ে ক্ষমতার খুব কাছে তারেক রহমান: রয়টার্স ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শনে বিজিবি মহাপরিচালক নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন :প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যদের হত্যার নির্দেশ দিচ্ছে আওয়ামী লীগ: আসিফ নজরুল সরকারে গেলে যাত্রাবাড়ীতে ইপিজেড হবে: তারেক রহমান

ঝুঁকিপূর্ণ কতটি ভোটকেন্দ্র, জানালেন আইজিপি

বাংলা ভিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 10

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশের ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছেন, দেশের মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার ৭৭০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও প্রায় ১৬ হাজার ভোটকেন্দ্রকে মধ্যম ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।

আইজিপি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ও মধ্যম ঝুঁকির ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে দেশের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশের সদস্যরা বডি–ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন। প্রয়োজনে জেলা পুলিশ সুপারদের তত্ত্বাবধানে ড্রোন ক্যামেরার সাহায্য নেওয়া হবে।

আইজিপি বাহারুল আলম আরও বলেন, সরকার এবারের নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন হিসেবে আয়োজন করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। এ লক্ষ্যে সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি প্রায় ৬ লাখ আনসার সদস্য, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং প্রায় ১ লাখ সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিন স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান আইজিপি। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী নিরাপত্তা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে, কেন্দ্রের বাইরে মোবাইল টিম টহল দেবে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স।

সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বলেন, পুলিশের লক্ষ্য একটি দৃষ্টান্তমূলক নির্বাচন উপহার দেওয়া। নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও সর্বজনগ্রাহ্য হয়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচন কতটা সফল হবে, তার চূড়ান্ত মূল্যায়ন করবে দেশের জনগণ।

শেয়ার করুন

ঝুঁকিপূর্ণ কতটি ভোটকেন্দ্র, জানালেন আইজিপি

আপডেট: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশের ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছেন, দেশের মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার ৭৭০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও প্রায় ১৬ হাজার ভোটকেন্দ্রকে মধ্যম ঝুঁকির তালিকায় রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।

আইজিপি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ও মধ্যম ঝুঁকির ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে দেশের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশের সদস্যরা বডি–ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন। প্রয়োজনে জেলা পুলিশ সুপারদের তত্ত্বাবধানে ড্রোন ক্যামেরার সাহায্য নেওয়া হবে।

আইজিপি বাহারুল আলম আরও বলেন, সরকার এবারের নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন হিসেবে আয়োজন করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। এ লক্ষ্যে সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি প্রায় ৬ লাখ আনসার সদস্য, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং প্রায় ১ লাখ সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিন স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান আইজিপি। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী নিরাপত্তা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে, কেন্দ্রের বাইরে মোবাইল টিম টহল দেবে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স।

সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বলেন, পুলিশের লক্ষ্য একটি দৃষ্টান্তমূলক নির্বাচন উপহার দেওয়া। নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও সর্বজনগ্রাহ্য হয়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচন কতটা সফল হবে, তার চূড়ান্ত মূল্যায়ন করবে দেশের জনগণ।