ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠে সক্রিয় আ.লীগ বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ১৫ কোটি ৬২ লাখ টাকার বেশি সম্পদের মালিক প্রধান উপদেষ্টা হিরো আলমকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ আদালতের নির্বাচনের ছুটিতে এটিএম বুথ সচল রাখতে বিশেষ নির্দেশনা নির্বাসন পেরিয়ে ক্ষমতার খুব কাছে তারেক রহমান: রয়টার্স ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শনে বিজিবি মহাপরিচালক নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন :প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যদের হত্যার নির্দেশ দিচ্ছে আওয়ামী লীগ: আসিফ নজরুল

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের নাম ঘোষণা: মির্জা ফখরুল

বাংলা ভিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 11

ভোটের মাঠে যে রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাতে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে যে জাতীয় সংসদ গঠিত হবে, সেই সংসদই আগামী পাঁচ বছর রাষ্ট্র পরিচালনা ও আইন প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করবে। সংসদে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে, তারাই সরকার গঠন করবে।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন কোন পথে হবে এবং কোথায় উন্নয়ন হবে—এই সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সরকার যদি জনগণের পক্ষে না দাঁড়ায়, তাহলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনমতের যে প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে, তাতে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়—বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, ইনশাআল্লাহ।

পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, আজ নির্বাচনী মাঠে বিভিন্ন প্রতীক দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক দল থাকা স্বাভাবিক। তবে প্রশ্ন হলো—১৯৭১ সালে যখন ত্রিশ লাখ মানুষ শহীদ হন এবং অসংখ্য মা-বোনের সম্ভ্রমহানি ঘটে, তখন জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান কী ছিল?

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, ওই সময় তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে এবং স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। এমন একটি দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া যায় না, তাদের সরকার গঠনের সুযোগও দেওয়া উচিত নয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে ভোট দিতে হবে ধানের শীষ প্রতীকে।

শেয়ার করুন

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের নাম ঘোষণা: মির্জা ফখরুল

আপডেট: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভোটের মাঠে যে রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাতে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে যে জাতীয় সংসদ গঠিত হবে, সেই সংসদই আগামী পাঁচ বছর রাষ্ট্র পরিচালনা ও আইন প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করবে। সংসদে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে, তারাই সরকার গঠন করবে।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন কোন পথে হবে এবং কোথায় উন্নয়ন হবে—এই সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সরকার যদি জনগণের পক্ষে না দাঁড়ায়, তাহলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনমতের যে প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে, তাতে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়—বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, ইনশাআল্লাহ।

পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, আজ নির্বাচনী মাঠে বিভিন্ন প্রতীক দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক দল থাকা স্বাভাবিক। তবে প্রশ্ন হলো—১৯৭১ সালে যখন ত্রিশ লাখ মানুষ শহীদ হন এবং অসংখ্য মা-বোনের সম্ভ্রমহানি ঘটে, তখন জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান কী ছিল?

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, ওই সময় তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে এবং স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। এমন একটি দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া যায় না, তাদের সরকার গঠনের সুযোগও দেওয়া উচিত নয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে ভোট দিতে হবে ধানের শীষ প্রতীকে।