সেনাবাহিনীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি, যুবদল নেতাসহ ৩ জন কারাগারে

- আপডেট: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 11
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সেনাবাহিনীর নাম ভাঙিয়ে এক ব্যবসায়ী পরিবারের কাছে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক হওয়ার পর তাদের বড়লেখা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বড়লেখা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নজমুল ইসলাম (৪৬), বড়লেখা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব আবু হানিফ জাকারিয়া (৩২) এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. রাজু আহমদ (২৭)। তারা সবাই গাজীটেকা এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ২ ফেব্রুয়ারি তালিমপুর ইউনিয়নের ব্যবসায়ী মো. সালমান হোসেনের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমকে খুঁজতে সেনাবাহিনীর একটি দল তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। জাহাঙ্গীর আলমকে বাড়িতে না পেয়ে সেনাসদস্যরা ফিরে যান। এরপরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তরা জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে দেখা করে দাবি করেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিষয়টি তারা ‘সমাধান’ করে দিতে পারবেন। এ জন্য তারা ৩ লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ করার হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ কলের মাধ্যমে বারবার টাকা দেওয়ার চাপ দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে আড়াই লাখ টাকায় কাজ করে দেওয়ার কথাও বলা হয়। পরে বাদীপক্ষ পুরো কথোপকথন মোবাইলে রেকর্ড করে বড়লেখা সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করে। অভিযোগ যাচাই করে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে বলে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড়লেখা থানায় মামলা করা হয়। বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।




























