ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৭০

দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৭০ জন রোগী। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩৩ জনে।সোমবার (২ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯৯ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে নতুন করে ৯০০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৯৪ জন, চট্টগ্রামে ২৫২ জন এবং বরিশালে ১৮৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।একই সময়ে রাজশাহী বিভাগে ১৫৩ জন, ময়মনসিংহে ৯৫ জন, রংপুরে ৭১ জন ও সিলেটে ২২ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।সব মিলিয়ে আট বিভাগে নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৯৭০।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত এক দিনে মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে তিনজন ঢাকা বিভাগের।এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে দুজন এবং সিলেট বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।নতুন ছয়জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৪৩৩ জনে।তবে মৃত ব্যক্তিদের বয়স, পরিচয় কিংবা কোন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে সরবরাহকৃত প্রতিবেদনে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৯ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ হাজার ১৭ জন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তির পাশাপাশি প্রতিদিন ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।এর আগের দিন রোববার (১ নভেম্বর) ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু এবং ১ হাজার ৯২৯ জনের হাসপাতালে ভর্তির তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।সেদিন পর্যন্ত বছরের মোট মৃত্যু ছিল ৪২৭ এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯২৯।সোমবার প্রকাশিত নতুন হিসাব অনুযায়ী, এই সংখ্যা যথাক্রমে ৪৩৩ এবং ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯৯-এ পৌঁছেছে।

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৭০