১০ হাজার নতু্ন পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের
দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে একটি পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।বুধবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগেই আমরা উল্লেখ করেছি, আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এবং সেটিরই অংশ হিসেবে বর্তমান সরকার ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে।”[BANGVIEWS-POST:1891]তিনি বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সরকার কোনোর ধরনের চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না।”দুর্নীতি দমন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকে সরকারের অগ্রাধিকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতি দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের অগ্রাধিকার। বর্তমান সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।”তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি স্বৈরাচারের সময় কিভাবে প্রতিবছর এই দেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার করে দেওয়া হয়েছে। এই দুর্নীতিকে যেকোনোভাবেই হোক, সেটি হাত বেঁধেই হোক, টুঁটি চেপেই হোক, যেকোনোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।”সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সরকারের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের মানুষের অন্যতম চাওয়া হচ্ছে একটি নিরাপদ পরিবেশ। একজন কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, ছোট ব্যবসায়ী- যে-ই হোক না কেন, প্রত্যেক মানুষ চায় দিনশেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে এবং পরিবার নিয়ে নিরাপদে চলাফেরা করতে।”তিনি বলেন, “জনগণের এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরো পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”[BANGVIEWS-POST:1886]সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার। আমরা জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করি এবং সম্মান করি।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের জীবন এবং সম্পদ সুরক্ষা সরকারের পবিত্র আমানত। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে রাষ্ট্র ও সরকার হবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক আর নাগরিকের জীবন হবে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সম্ভাবনাময়।”