ঢাকা    শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

টঙ্গীতে দুই মাসে ৫২০ জন গ্রেপ্তার

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদক ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে গত দুই মাসে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩টি ছিনতাইকারী চক্রের দলনেতা রয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি)। তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে জিএমপির অপরাধ দক্ষিণ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান উপকমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টঙ্গী পূর্ব থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাকছুদুল আলমের নেতৃত্বে গত দুই মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি ও অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩ জন পৃথক ছিনতাইকারী চক্রের নেতৃত্ব দিতেন। তাঁদের প্রত্যেকের নিজস্ব সহযোগী দল রয়েছে, যারা টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১৩ জন হলেন রাজু ওরফে চুইক্কা রাজু, রেড নয়ন, সুজন, স্বাধীন, রাহুল, রায়হান, জাহিদ, রাতুল, মিজান, বুক কাটা বাবু, মুক্তার হোসেন সোহান, সাজেদুল ওরফে বোমা মনির ও হৃদয়।সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাইকারী চক্রগুলোর অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে পুলিশ।টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মাকছুদুল আলম বলেন, ‘টঙ্গীতে মাদক ও ছিনতাই অন্যতম বড় সমস্যা। এসব অপরাধের সিন্ডিকেট ভাঙতে ১৩ জন শীর্ষ ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব একটি করে গ্রুপ রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে।’তিনি জানান, অপরাধী চক্রগুলোর তৎপরতা বন্ধ করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব চক্রের সঙ্গে যুক্ত অন্য ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।এর আগে অক্টোবরের শুরুতে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে টঙ্গী পূর্ব থানার বিশেষ অভিযানে ৪০ দিনে ৪১৯ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানানো হয়েছিল। ওই সময় ছিনতাই, মাদক, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও অন্যান্য মামলায় এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।এবার দুই মাসের হিসাবে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৫২০ জন বলে জানিয়েছে জিএমপি।তবে গ্রেপ্তার ১৩ জনের বিরুদ্ধে কতটি মামলা রয়েছে, উদ্ধার করা অস্ত্রের সংখ্যা কত এবং তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনের প্রদত্ত বিবরণে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

টঙ্গীতে দুই মাসে ৫২০ জন গ্রেপ্তার