ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

২১ জানুয়ারি শুরু অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ, ফাইনাল চট্টগ্রামে

২১ জানুয়ারি শুরু অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ, ফাইনাল চট্টগ্রামে
ফাইল ছবি
ফলো করুন

বাংলাদেশ ও নেপালের যৌথ আয়োজনে ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তৃতীয় আসর। নিজেদের মাঠে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। বুধবার (২১ অক্টোবর) ১৬ দলের এই টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আগামী ২১ জানুয়ারি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে প্রতিযোগিতাটির। ১৬ দিনের এই আসরের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৬ ফেব্রুয়ারি, চট্টগ্রামে।

তিন শহরের চারটি ভেন্যুতে আয়োজিত হবে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো। এর মধ্যে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ১৪টি ও সিলেটে ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে নেপালের মুলপানিতে হবে আটটি এবং কির্তিপুরে সাতটি ম্যাচ। টুর্নামেন্টের অধিকাংশ ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব থাকছে বাংলাদেশের ওপর।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১৬টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি দল গ্রুপ পর্বে তিনটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।

বাংলাদেশ রয়েছে ‘সি’ গ্রুপে। এই গ্রুপে স্বাগতিকদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া ও নাইজেরিয়া। ২১ জানুয়ারি আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলার পর ২৩ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়া এবং ২৫ জানুয়ারি নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে।

অন্যদিকে ‘এ’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত খেলবে সহ-আয়োজক নেপাল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া। ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড খেলবে ‘ডি’ গ্রুপে।

গ্রুপ পর্বের খেলা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। চার গ্রুপের প্রতিটি থেকে তিনটি করে দল পরবর্তী পর্বে উন্নীত হবে। এভাবে মোট ১২টি দল সুপার সিক্সে খেলার সুযোগ পাবে। প্রতিটি গ্রুপের চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলো পাবে একটি করে প্লে-অফ ম্যাচ খেলার সুযোগ।

সুপার সিক্সে ‘এ’ ও ‘ডি’ গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ ছয়টি দল থাকবে প্রথম গ্রুপে। ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রুপ থেকে আসা দলগুলো খেলবে দ্বিতীয় গ্রুপে।

এই পর্বে প্রতিটি দল দুটি করে ম্যাচ খেলবে। তবে নিজ গ্রুপ থেকে সুপার সিক্সে ওঠা দলগুলোর বিপক্ষে নয়, অন্য গ্রুপ থেকে আসা দলগুলোর বিপক্ষে খেলতে হবে। যেমন, ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল মুখোমুখি হবে ‘ডি’ গ্রুপের দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা দলের। একই নিয়মে ‘এ’ গ্রুপের দ্বিতীয় দল খেলবে ‘ডি’ গ্রুপের প্রথম ও তৃতীয় দলের বিপক্ষে।

গ্রুপ পর্বে সুপার সিক্সে ওঠা দলগুলোর বিপক্ষে অর্জিত পয়েন্ট পরবর্তী পর্বেও বহাল থাকবে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সুপার সিক্সে উঠলে, ওই দুই দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের অর্জিত পয়েন্টও হিসাবে থাকবে। সে ক্ষেত্রে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ফল পরবর্তী পর্বের পয়েন্ট হিসাবে বিবেচিত হবে না।

গ্রুপ পর্ব থেকে পাওয়া পয়েন্ট এবং সুপার সিক্সের দুই ম্যাচের ফল মিলিয়ে নির্ধারিত হবে দুই গ্রুপের কোন চারটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে। এ ম্যাচের জন্য ৫ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে। ফাইনাল হবে ৬ ফেব্রুয়ারি, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের জন্য ৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ডে নির্ধারণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী দিন সিলেট ও মুলপানিতে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩০ মিনিট এবং দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে খেলা শুরু হবে। শুধু সেমিফাইনাল ও ফাইনালের জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ তরুণ ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করে বলে মন্তব্য করেছেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্ত।

তিনি বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উদীয়মান ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিজ্ঞতা অর্জনের দুর্দান্ত সুযোগ করে দেয়। বাংলাদেশ ও নেপালে বিশ্বমঞ্চের এই আসর নারী ক্রিকেটের গভীরতা বাড়াতে সাহায্য করবে।’

বাংলাদেশ ও নেপালের যৌথ আয়োজনে এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উদীয়মান নারী ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটের বিস্তারে নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছে আইসিসি।

ট্যাগ : আইসিসি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


২১ জানুয়ারি শুরু অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ, ফাইনাল চট্টগ্রামে

প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ ও নেপালের যৌথ আয়োজনে ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তৃতীয় আসর। নিজেদের মাঠে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। বুধবার (২১ অক্টোবর) ১৬ দলের এই টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আগামী ২১ জানুয়ারি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে প্রতিযোগিতাটির। ১৬ দিনের এই আসরের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৬ ফেব্রুয়ারি, চট্টগ্রামে।

তিন শহরের চারটি ভেন্যুতে আয়োজিত হবে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো। এর মধ্যে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ১৪টি ও সিলেটে ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে নেপালের মুলপানিতে হবে আটটি এবং কির্তিপুরে সাতটি ম্যাচ। টুর্নামেন্টের অধিকাংশ ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব থাকছে বাংলাদেশের ওপর।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১৬টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি দল গ্রুপ পর্বে তিনটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।

বাংলাদেশ রয়েছে ‘সি’ গ্রুপে। এই গ্রুপে স্বাগতিকদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া ও নাইজেরিয়া। ২১ জানুয়ারি আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলার পর ২৩ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়া এবং ২৫ জানুয়ারি নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে।

অন্যদিকে ‘এ’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত খেলবে সহ-আয়োজক নেপাল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া। ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড খেলবে ‘ডি’ গ্রুপে।

গ্রুপ পর্বের খেলা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। চার গ্রুপের প্রতিটি থেকে তিনটি করে দল পরবর্তী পর্বে উন্নীত হবে। এভাবে মোট ১২টি দল সুপার সিক্সে খেলার সুযোগ পাবে। প্রতিটি গ্রুপের চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলো পাবে একটি করে প্লে-অফ ম্যাচ খেলার সুযোগ।

সুপার সিক্সে ‘এ’ ও ‘ডি’ গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ ছয়টি দল থাকবে প্রথম গ্রুপে। ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রুপ থেকে আসা দলগুলো খেলবে দ্বিতীয় গ্রুপে।

এই পর্বে প্রতিটি দল দুটি করে ম্যাচ খেলবে। তবে নিজ গ্রুপ থেকে সুপার সিক্সে ওঠা দলগুলোর বিপক্ষে নয়, অন্য গ্রুপ থেকে আসা দলগুলোর বিপক্ষে খেলতে হবে। যেমন, ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল মুখোমুখি হবে ‘ডি’ গ্রুপের দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা দলের। একই নিয়মে ‘এ’ গ্রুপের দ্বিতীয় দল খেলবে ‘ডি’ গ্রুপের প্রথম ও তৃতীয় দলের বিপক্ষে।

গ্রুপ পর্বে সুপার সিক্সে ওঠা দলগুলোর বিপক্ষে অর্জিত পয়েন্ট পরবর্তী পর্বেও বহাল থাকবে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সুপার সিক্সে উঠলে, ওই দুই দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের অর্জিত পয়েন্টও হিসাবে থাকবে। সে ক্ষেত্রে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ফল পরবর্তী পর্বের পয়েন্ট হিসাবে বিবেচিত হবে না।

গ্রুপ পর্ব থেকে পাওয়া পয়েন্ট এবং সুপার সিক্সের দুই ম্যাচের ফল মিলিয়ে নির্ধারিত হবে দুই গ্রুপের কোন চারটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে। এ ম্যাচের জন্য ৫ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে। ফাইনাল হবে ৬ ফেব্রুয়ারি, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের জন্য ৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ডে নির্ধারণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী দিন সিলেট ও মুলপানিতে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩০ মিনিট এবং দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে খেলা শুরু হবে। শুধু সেমিফাইনাল ও ফাইনালের জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ তরুণ ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করে বলে মন্তব্য করেছেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্ত।

তিনি বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উদীয়মান ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিজ্ঞতা অর্জনের দুর্দান্ত সুযোগ করে দেয়। বাংলাদেশ ও নেপালে বিশ্বমঞ্চের এই আসর নারী ক্রিকেটের গভীরতা বাড়াতে সাহায্য করবে।’

বাংলাদেশ ও নেপালের যৌথ আয়োজনে এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উদীয়মান নারী ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটের বিস্তারে নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছে আইসিসি।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ