বর্তমানে শুধু ব্যবসায়িক ব্যবহারকারীরাই নয়, সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরাও বিভিন্ন কারণে হঠাৎ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার সমস্যায় পড়তে পারেন। ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও নীতিমালা রক্ষায় হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ অননুমোদিত বা সন্দেহজনক কার্যক্রম শনাক্ত হলে অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে।হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার কয়েকটি সাধারণ কারণ হলো—১. আনঅফিশিয়াল অ্যাপ ব্যবহারজিবি হোয়াটসঅ্যাপ, এফএম হোয়াটসঅ্যাপের মতো পরিবর্তিত বা অননুমোদিত অ্যাপ ব্যবহার করলে অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এসব অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের নীতিমালার বাইরে হওয়ায় নিরাপত্তাজনিত কারণে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হতে পারে।[BANGVIEWS-POST:4093]২. একই বার্তা অনেক মানুষকে পাঠানোঅল্প সময়ের মধ্যে অনেক ব্যবহারকারীর কাছে একই ধরনের বার্তা পাঠালে সেটিকে স্প্যাম হিসেবে বিবেচনা করতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ। প্রচারণামূলক বার্তা, আমন্ত্রণ বা অন্য কোনো তথ্য অতিরিক্ত হারে পাঠালেও অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।৩. অপরিচিত নম্বরে অতিরিক্ত মেসেজ পাঠানোযারা আপনার নম্বর সংরক্ষণ করেননি, তাদের কাছে নিয়মিত বেশি পরিমাণে বার্তা পাঠালে তারা নম্বরটি ব্লক বা রিপোর্ট করতে পারেন। বেশি সংখ্যক রিপোর্ট হলে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারে।৪. অনেক অপরিচিত ব্যক্তিকে গ্রুপে যুক্ত করাঅনুমতি ছাড়া একসঙ্গে অনেক অপরিচিত ব্যক্তিকে গ্রুপে যুক্ত করা হোয়াটসঅ্যাপের কাছে স্প্যাম আচরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ ধরনের কার্যক্রমের কারণে অ্যাকাউন্ট সীমিত বা নিষিদ্ধ হতে পারে।৫. স্বয়ংক্রিয় বার্তা বা বট ব্যবহারতৃতীয় পক্ষের সফটওয়্যার দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজ পাঠানো বা বটের মাধ্যমে উত্তর দেওয়ার ব্যবস্থা করলে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।[BANGVIEWS-POST:4088]৬. সন্দেহজনক কার্যক্রমঅ্যাকাউন্টের ব্যবহার পদ্ধতি, পাঠানো বার্তার ধরন, রিপোর্ট ও ব্লকের সংখ্যা এবং সামগ্রিক আচরণ বিশ্লেষণ করে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবস্থা নিতে পারে। অনেক সময় একটি নির্দিষ্ট কারণে নয়, বরং ধারাবাহিক সন্দেহজনক আচরণের কারণে অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হয়।৭. নতুন নম্বর দিয়ে অতিরিক্ত কার্যক্রমনতুন কোনো নম্বর চালু করার পর অল্প সময়ে অনেক মেসেজ পাঠানো, অনেক গ্রুপে যোগ দেওয়া বা অতিরিক্ত কার্যক্রম চালালে সেটি সন্দেহজনক হিসেবে শনাক্ত হতে পারে।ব্যবহারকারীদের উচিত হোয়াটসঅ্যাপের অফিসিয়াল অ্যাপ ব্যবহার করা, অপরিচিতদের কাছে অতিরিক্ত বার্তা না পাঠানো এবং স্প্যাম কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা।