সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের একটি মহাপরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ড স্টেশন গ্রাউন্ডে ফলজ চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে একটি সুপারিশ পাওয়া গেছে। দ্বীপের প্রাকৃতিক ভারসাম্য, পরিবেশ সুরক্ষা এবং অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।[BANGVIEWS-POST:3396]তিনি বলেন, সেন্টমার্টিনে বসবাসকারী মানুষ দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীর্ঘদিন ধরে তারা নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দ্বীপের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে বসবাস করছেন। তাই তাদের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেন্টমার্টিন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং জীববৈচিত্র্যের আধার। জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষাও সরকারের দায়িত্ব।তিনি বলেন, শুধু সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে দ্বীপের পরিচ্ছন্নতা ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাসহ সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সেন্টমার্টিনকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার, স্থানীয় জনগণ, উন্নয়ন সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।