নতুন শেয়ার ইস্যুতে দ্বিগুণ হলো রূপালী ব্যাংকের মূলধন
রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি সরকারের ইকুইটির বিপরীতে ৪৫ কোটি ৩৩ লাখ ৩০ হাজার ২৫৩টি নতুন সাধারণ শেয়ার ইস্যু করেছে। শেয়ারগুলো সরকারের পক্ষে অর্থ বিভাগের সচিবের বিও হিসাবে জমা হয়েছে। এর ফলে ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সম্মতি এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের পর সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড নতুন শেয়ারগুলো সংশ্লিষ্ট বিও হিসাবে জমা দেয়।সরকারের শেয়ার মানি ডিপোজিট হিসেবে থাকা ৬৭৯ কোটি ৯৯ লাখ ৫৩ হাজার ৮০০ টাকার বিপরীতে এসব শেয়ার ইস্যু করা হয়েছে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ টাকা। এর মধ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য এবং বাকি ৫ টাকা শেয়ার প্রিমিয়াম। নতুন শেয়ার যুক্ত হওয়ার পর রূপালী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৪৮৭ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার ৬৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৯৪১ কোটি ২৬ লাখ ২৩ হাজার ১৮০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকটির মোট সাধারণ শেয়ারের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৪ কোটি ১২ লাখ ৬২ হাজার ৩১৮টি।[BANGVIEWS-POST:2941] বিএসইসির শর্ত অনুযায়ী, সরকারের অনুকূলে ইস্যু করা নতুন শেয়ারগুলো তিন বছর লক-ইন থাকবে। এই সময়ের মধ্যে শেয়ারগুলো বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে না।নতুন শেয়ার ইস্যুর ফলে রূপালী ব্যাংকে সরকারের মালিকানার অংশ আরও বেড়েছে। বিপরীতে সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আনুপাতিক অংশ কমেছে। শেয়ার ইস্যুর পরিকল্পনা ঘোষণার সময় ব্যাংকটির প্রায় ৯৫ শতাংশ মালিকানা সরকারের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছিল। আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে শেয়ার মানি ডিপোজিট বিবেচনায় ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৯ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৩৭ পয়সায়।
২০২৫ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি রূপালী ব্যাংক। ওই বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১৪ পয়সা এবং বছর শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ৩৫ টাকা ২ পয়সায়।