চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বেইজিংয়ে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সোমবার (২৯ জুন) বেইজিংয়ের দিওয়ুতাই স্টেট গেস্টহাউসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির বরাত দিয়ে বাসস জানায়, শি জিনপিং বৈঠকে লুকাশেঙ্কোকে স্বাগত জানান। তবে প্রাথমিকভাবে বৈঠকের বিস্তারিত আলোচ্যসূচি জানানো হয়নি।[BANGVIEWS-POST:858]চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, বৈঠকে শি জিনপিং বলেন, চীন বেলারুশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সমর্থন করে। একই সঙ্গে দুই দেশের কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার এবং উচ্চপর্যায়ের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লুকাশেঙ্কোর এই চীন সফর এমন সময়ে হলো, যখন বেলারুশ ও ইউক্রেনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এর আগে গত সপ্তাহে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন।১৯৯৪ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা লুকাশেঙ্কো ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার সময় বেলারুশের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। তবে তিনি বরাবরই যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়ার পরিকল্পনা থাকার কথা অস্বীকার করে আসছেন।বেলারুশ ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তসংলগ্ন একটি দেশ। দেশটিতে রাশিয়ার সর্বাধুনিক পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধজুড়ে চীন নিজেকে নিরপেক্ষ পক্ষ হিসেবে তুলে ধরেছে। তবে কিয়েভের মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে মস্কোকে পরোক্ষ সহায়তার অভিযোগ করে আসছে, যা চীন অস্বীকার করে।[BANGVIEWS-POST:857]এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চীন সফর করেন লুকাশেঙ্কো। সে সময় তিনি বেইজিংয়ে সামরিক কুচকাওয়াজ এবং তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন। শি-লুকাশেঙ্কো বৈঠককে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে চীন, বেলারুশ ও রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের আরেকটি কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।