ঢাকা    সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

বিশ্ববাজারে নিম্নমুখী তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। রাশিয়ার ওপর আরোপের পরিকল্পনা করা একাধিক কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের নির্বাহী আদেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষর করার পরই এশিয়ার বাজারে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমতে দেখা যায়।সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।প্রতিবেদনে জানানো হয়, সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে লেনদেনের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অন্যতম প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি কমে যায়। এতে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য নেমে আসে ১০৭ দশমিক ৯২ ডলারে।এর আগে গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বিশেষ নির্বাহী আদেশে সই করেন। এর ফলে রাশিয়াসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু পরিকল্পিত ও চূড়ান্ত হতে যাওয়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগেই তা স্থগিত বা বাতিল ঘোষণা করা হয়। এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রাশিয়ার বিভিন্ন পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপ এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ক্ষেত্রে রাশিয়ার তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস কেনার ওপর কঠোর শাস্তিমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার মতো স্পর্শকাতর ধারাগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত, হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অস্থিরতা ও সমুদ্রপথে তেলবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এই সরবরাহ সংকটের শঙ্কায় গত শুক্রবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সাময়িকভাবে বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারে পৌঁছে যায়, যা ছিল চলতি বছরের মে মাসের পর সর্বোচ্চ মূল্য।তবে ট্রাম্পের এই আকস্মিক আদেশের পর রাশিয়ার বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল আন্তর্জাতিক বাজারে অবাধে প্রবেশের পথ প্রশস্ত হলো বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। মস্কোর ওপর পরিকল্পিত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহারের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বৈশ্বিক ঘাটতি হ্রাস পাওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়, যার সরাসরি প্রভাবে ঊর্ধ্বমুখী তেলের বাজারে তাৎক্ষণিক দরপতন দেখা গেছে।সূত্র: আল জাজিরা

বিশ্ববাজারে নিম্নমুখী তেলের দাম