ঢাকা    বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

রাঙ্গামাটিতে পানিবন্দি হাজারো মানুষ

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যা ও জলাবদ্ধতায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সমন্বিতভাবে কাজ করছে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জেলার মতো রাঙ্গামাটিতেও বন্যায় বহু পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং ত্রাণ পৌঁছাতে সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।[BANGVIEWS-POST:1693] রাজস্থলী, বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি, বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। বিলাইছড়ির দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।তীব্র স্রোত ও দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থার কারণে কয়েকটি এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে। সেখানে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও চিকিৎসাসেবার সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে উঠলেও বেশ কিছু মানুষ এখনো বাড়িতে আটকা আছেন।জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, রাঙ্গামাটির ৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে তিন হাজার ৬৩৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। দুর্গতদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি ত্রাণ তহবিল থেকে ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে চিকিৎসা দল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্গত এলাকায় শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও সরকারি ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।[BANGVIEWS-POST:1686]রোববার বিকেলে রাঙ্গামাটি শহরের তবলছড়ির ওমদামিয়া দুর্গত এলাকার আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি দুর্গতদের খোঁজখবর নেন এবং ত্রাণ কার্যক্রম তদারক করেন। জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি বলেন, পুরো জেলার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা, খাদ্য ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে।

রাঙ্গামাটিতে পানিবন্দি হাজারো মানুষ