ঢাকা    বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

অভাব-অনটন থেকে মুক্তির ৪ আমল

মানবজীবনে অভাব-অনটন, দারিদ্র্য কিংবা অর্থনৈতিক সংকট আসে। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে গেলে আল্লাহ তাআলা একসময় অভাব-অনটন থেকে মুক্তি দেন। এর জন্য প্রয়োজন চেষ্টার পাশাপাশি কিছু আমল এবং আল্লাহর দরবারে দোয়া-মোনাজাত। কোরআন ও হাদিসের আলোকে অভাব-অনটন থেকে মুক্তি এবং রিজিকে বরকত লাভের কিছু আমল আলোচনা করা হলো: ১. বেশি বেশি ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা: গুনাহ বা পাপাচার মানুষের জীবনের বরকত ও রিজিক কমিয়ে দেয়, আর ‘ইস্তিগফার’ রহমত ও কল্যাণের বন্ধ দুয়ার খুলে দেয়। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করে, আল্লাহ তাকে তার প্রতিটি সংকট থেকে মুক্তির পথ বের করে দেন, সব দুশ্চিন্তা দূর করেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।’ (সুনানে আবু দাউদ: ১৫১৮) ২. নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়া: জীবনে বরকত আসার অন্যতম উৎস নামাজ। জীবিকার পেছনে অন্ধ হয়ে ছুটে চলা যেন মানুষকে নামাজ থেকে দূরে সরিয়ে না দেয়, সে বিষয়ে সতর্ক করে পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘তোমার পরিবারকে সালাতের আদেশ দাও এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাক। আমি তোমার কাছে রিজিক চাই না; বরং আমিই তোমাকে রিজিক দিই।’ (সুরা ত্ব-হা: ১৩২) ৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা: পারিবারিক বন্ধন ও আত্মীয়দের খোঁজখবর রাখলে রিজিকে বরকত আসে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশস্ত হোক এবং তার আয়ু বা হায়াতে বরকত হোক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (সহিহ মুসলিম: ২৫৫৭) ৪. নিয়মিত দান-সদকা করা: শয়তান মানুষকে অভাব ও দারিদ্র্যের ভয় দেখিয়ে দান করা থেকে বিরত রাখতে চায়। কিন্তু আল্লাহর প্রতিশ্রুতি এর সম্পূর্ণ বিপরীত। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তার পরিবর্তে আরও দান করেন। তিনিই সর্বোত্তম রিজিকদাতা।’ (সুরা সাবা: ৩৯)

অভাব-অনটন থেকে মুক্তির ৪ আমল