ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফের পর এবার কারবালায় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন ঘিরে বিপুলসংখ্যক মানুষ শোকযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার খামেনির মরদেহ কারবালায় পৌঁছালে শহরের বিভিন্ন সড়কে মানুষের ঢল নামে। ইরাকের হাশদ আল-শাবির প্রাথমিক হিসাবে, কারবালায় ৪০ লাখের বেশি মানুষ জানাজা ও শোকযাত্রায় অংশ নেন।[BANGVIEWS-POST:1454]এর আগে নাজাফে ইমাম আলী (রা.)-এর মাজার প্রাঙ্গণ ও আশপাশের সড়কে বড় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস টিভির দাবি, সেখানে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষ অংশ নেন।নাজাফ থেকে খামেনির মরদেহ কারবালায় নেওয়া হয় বিখ্যাত আরবাঈন সড়ক দিয়ে। পরে ইমাম হোসাইন (রা.) এবং হযরত আব্বাস (রা.)-এর মাজার এলাকায় স্মরণানুষ্ঠান ও শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়, খামেনির কফিনের সঙ্গে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহও ছিল, যারা একই হামলায় নিহত হন। ইরাকি কর্তৃপক্ষ বিপুল জনসমাগমের সুযোগ দিতে ওই দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করে।[BANGVIEWS-POST:1453]কারবালা ও নাজাফ শিয়া মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় শহর। প্রতি বছর লাখো মানুষ এসব শহরে জিয়ারত ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন। তাই খামেনির মরদেহ এই দুই শহরে নেওয়ার ঘটনাকে শুধু জানাজার আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ইরান-ইরাক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক রাজনীতির বড় প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।ইরাকি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন প্রতিরোধ গোষ্ঠীর নেতারা এই জনসমাগমকে ইরান ও ইরাকের ঐক্য এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের বার্তা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।প্রেস টিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, খামেনির চূড়ান্ত জানাজা বৃহস্পতিবার ইরানের মাশহাদে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ইমাম রেজা (রা.)-এর মাজারে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে। সূত্র: প্রেস টিভি