ঢাকা    শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

এক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতা, ভিজে নষ্ট আমদানিকৃত পণ্য

বেনাপোল স্থলবন্দরে মাত্র এক দিনের ভারী বর্ষণেই জলাবদ্ধতার কারণে ব্যাপক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। বন্দরের অভ্যন্তরে পানি জমে বিভিন্ন শেড প্লাবিত হওয়ায় আমদানিকৃত মূল্যবান পণ্য ভিজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আমদানিকারকদের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।শুক্রবার (১০ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত জমে বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ড্রেন উপচে পানি প্রবেশ করে একাধিক শেডে। এর মধ্যে ১২, ১৩, ১৭ ও ১৮ নম্বর শেড সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এসব শেডে সংরক্ষিত টেক্সটাইল রোল, সুতা এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানার কাঁচামাল পানিতে ভিজে যায়। বিশেষ করে নিচের স্তরে রাখা পণ্যগুলো দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকায় সেগুলোর মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।[BANGVIEWS-POST:1557]আমদানিকারকদের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে প্রায় প্রতি বছরই একই ধরনের জলাবদ্ধতার ঘটনা ঘটে। তবে দীর্ঘদিন ধরেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তাদের দাবি, পণ্য খালাসে বিলম্বের পাশাপাশি বৃষ্টির পানিতে মালামাল নষ্ট হওয়ায় আর্থিক চাপ আরও বেড়ে গেছে।ব্যবসায়ীদের মতে, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অনেক আমদানিকারক ভবিষ্যতে বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহার থেকে সরে যেতে পারেন, যা দেশের বাণিজ্য কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।ঘটনার পর বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি এবং স্থানীয় শ্রমিক সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের ভাষ্য, দেশের অন্যতম বৃহৎ স্থলবন্দর হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যা। ব্যবসায়ী নেতারা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ, ড্রেন সংস্কার, প্রয়োজনীয় পাম্প স্থাপন এবং শেডগুলোর উচ্চতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এসব অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতা, ভিজে নষ্ট আমদানিকৃত পণ্য