পাল্টা শুল্কের ৮১ বিলিয়ন ডলার ফেরত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্কের মধ্যে ৮১ বিলিয়ন ডলার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফেরত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। সোমবার প্রকাশিত দেশটির বাজেট পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরতের প্রধান কারণ সুপ্রিম কোর্টের রায়। চলতি অর্থবছরের মে ও জুন মাসেই অধিকাংশ অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে। শুধু জুনে ফেরত দেওয়া হয় ৪৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। মে মাসে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার।[BANGVIEWS-POST:1786]দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে আমদানিপণ্যের ওপর ব্যাপক পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। তবে গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন, জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের আওতায় এসব শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট তাঁর ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। এরপর আমদানিকারকদের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।যুক্তরাষ্ট্রের চলতি অর্থবছর ২০২৫ সালের অক্টোবরে শুরু হয়েছে। ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত শুল্ক বাবদ ৮১ বিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়া হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ফেরতের পরিমাণ ছিল মাত্র পাঁচ বিলিয়ন ডলার।শুল্ক ফেরতের কারণে মার্কিন সরকারের আয় কমে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে দেশটির বাজেট ঘাটতি বেড়ে ১ দশমিক ৩৬৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। জুন মাসেই ঘাটতি হয়েছে ১২০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে আগের বছরের একই মাসে ২৭ বিলিয়ন ডলার উদ্বৃত্ত ছিল।ট্রাম্প শুল্কনীতিকে যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা ও কর্মসংস্থান বাড়ানো, ভালো বাণিজ্যচুক্তি অর্জন এবং বাজেট ঘাটতি কমানোর উপায় হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। তবে আদালতের রায় এবং বিপুল অর্থ ফেরতের কারণে তাঁর অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক নীতি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।[BANGVIEWS-POST:1776]এদিকে সাময়িক ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের মেয়াদ ২৪ জুলাই শেষ হওয়ার কথা। তবে যুক্তরাজ্য, জাপান, ভারত, তাইওয়ান ও চীনসহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর নতুনভাবে ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছে হোয়াইট হাউস।