রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তরুণ ফরোয়ার্ড এনদ্রিককে ঘিরে চলা ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনার অবসান হতে যাচ্ছে। তাকে আবারও ধারে অন্য কোনো ক্লাবে পাঠানো হতে পারে বলে গুঞ্জন থাকলেও আপাতত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।নতুন মৌসুমে এনদ্রিককে দলের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই রাখতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ। ক্লাবটির নতুন কোচ হোসে মরিনহোর আস্থা এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা।২০২৬-২৭ মৌসুম শুরুর আগে রিয়াল নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। দলবদলের বাজার খোলা থাকলেও এনদ্রিককে নিয়ে অন্য কোনো ক্লাবের সঙ্গে আলোচনায় যেতে আগ্রহী নয় তারা। বরং তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তুলতে চায় ক্লাবটি।[BANGVIEWS-POST:3558]অনুশীলনে এনদ্রিকের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট মরিনহো। ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডকে শুধু সেন্টার ফরোয়ার্ড নয়, প্রয়োজনে ডান উইংয়েও ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে কোচের।মার্কার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াল মনে করছে চলতি মৌসুমেই বার্নাব্যুতে নিজের জায়গা তৈরি করার সক্ষমতা রয়েছে এনদ্রিকের। যদিও আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, আরদা গুলার, ব্রাহিম দিয়াজসহ বেশ কয়েকজন তারকা রয়েছেন, তবুও এনদ্রিককে ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে দেখছে ক্লাবটি।এমনকি তাকে আবার লোনে পাঠানোর গুঞ্জনও নাকচ করেছে রিয়াল। ক্লাবের অবস্থান, খেলোয়াড় নিজে ছাড়তে না চাইলে তাকে কোথাও পাঠানো হবে না। নতুন মৌসুমে এনদ্রিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ৯ নম্বর জার্সিও, যা তার ওপর আস্থার বড় প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।তবে কিছুদিন আগেও পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। নিয়মিত খেলার সুযোগ না পাওয়ায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে ধারে ফরাসি ক্লাব লিওঁতে যেতে হয়েছিল তাকে। বিশ্বকাপের আগে নিয়মিত মাঠে থাকার সুযোগ পেতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।লিওঁর হয়ে এনদ্রিক নিজেকে প্রমাণ করেন। ২১ ম্যাচের মধ্যে ১৯টিতে শুরুর একাদশে থেকে তিনি ৮টি গোল করেন এবং সতীর্থদের দিয়ে করান আরও ৭টি গোল। তার এই পারফরম্যান্স রিয়ালের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনে।[BANGVIEWS-POST:3556]২০২৪ সালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব পালমেইরাস থেকে প্রায় ৭ কোটি ২০ লাখ ইউরো ট্রান্সফার ফিতে রিয়ালে যোগ দেন এনদ্রিক। তবে শুরুটা সহজ ছিল না। প্রথম মৌসুমে ৩৭ ম্যাচ খেললেও শুরুর একাদশে সুযোগ পান মাত্র ৮ বার এবং করেন ৭ গোল। পরবর্তী সময়ে কোচিং পরিবর্তনের পর সুযোগ আরও কমে যায়। এক পর্যায়ে মাত্র তিন ম্যাচে মাঠে নামতে পারেন তিনি। এরপর লিওঁতে ধারে গিয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আবারও রিয়ালের আস্থা অর্জন করেছেন ২০ বছর বয়সী এই তারকা।