ঢাকা    শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

পশ্চিম তীরে লকডাউনের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

অধিকৃত পশ্চিম তীরে (ওয়েস্ট ব্যাংক) বন্দুকধারীদের গুলিতে পাঁচজন ইসরায়েলি আহত হওয়ার ঘটনার পর পুরো পশ্চিম তীরজুড়ে ‘সম্পূর্ণ লকডাউন’ জারির কড়া নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। জ্যেষ্ঠ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সাথে এক জরুরি নিরাপত্তা পর্যালোচনার পর শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেওয়া আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে তিনি এই নির্দেশনার কথা জানান। একই সঙ্গে ঘটনার কেন্দ্রস্থল ফিলিস্তিনের হেবরন শহরটিকে অবিলম্বে পুরোপুরি অবরুদ্ধ করারও আদেশ জারি করা হয়েছে।ঘটনাটি ঘটে হেবরনের নিকটবর্তী ‘কিরিয়াত আরবা’ নামক অবৈধ ইসরায়েলি বসতিসংলগ্ন একটি ব্যস্ত মোড়ে। ইসরায়েলের জরুরি উদ্ধার সেবা সংস্থা ‘মাগেন ডেভিড আদোম’ ও সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্যমতে, একটি গাড়িতে করে আসা দুই ফিলিস্তিনি আকস্মিকভাবে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করেন। এ হামলায় পাঁচজন ইসরায়েলি আহত হন, যাদের মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।হামলার পরপরই ইসরায়েলি বাহিনী দ্রুত ওই এলাকা ঘিরে ফেলে সাঁড়াশি তল্লাশি অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি গুলিবিনিময়ের সময় হামলাকারী হিসেবে চিহ্নিত দুই ফিলিস্তিনি নিহত হন। ওই এলাকায় অন্য কোনো সহযোগী বা সন্দেহভাজন লুকিয়ে রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকা কর্ডন করে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিরোধ গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামলার জের ধরে পশ্চিম তীরজুড়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করছে।সম্প্রতি পশ্চিম তীরজুড়ে নিয়মিত সামরিক আগ্রাসন ও কট্টরপন্থি বসতি স্থাপনকারীদের দৌরাত্ম্যে সহিংসতা চরম আকার ধারণ করেছে। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় সংক্রান্ত কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) তথ্য অনুযায়ী, অব্যাহত সামরিক চাপ ও হামলার ফলে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি পরিবার নিজেদের ঘরবাড়ি ত্যাগ করে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হচ্ছেন এবং দিন দিন হতাহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।সূত্র:আল-জাজিরা

পশ্চিম তীরে লকডাউনের নির্দেশ নেতানিয়াহুর