হালাল পণ্যের মান নির্ধারণ, হালাল স্ট্যান্ডার্ড প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং হালাল সনদ প্রদানের দায়িত্ব ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’ সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।সোমবার (২৪ আগস্ট) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশোধিত কার্যবিধি অনুযায়ী রুলস অব বিজনেসের শিডিউল-১-এ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টনসংক্রান্ত তালিকায় ‘৩৪. মিনিস্ট্রি অব রিলিজিয়াস অ্যাফেয়ার্স (Ministry of Religious Affairs)’ শিরোনামের অধীনে নতুন একটি দায়িত্ব সংযোজন করা হয়েছে। বিদ্যমান আইটেম নম্বর ২২-এর পর নতুন আইটেম নম্বর ২৩ হিসেবে ‘Matters relating to Halal Standard and Certification’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।[BANGVIEWS-POST:4398]এর ফলে দেশে হালাল পণ্যের মান নির্ধারণ, হালাল স্ট্যান্ডার্ড প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং হালাল সনদ প্রদানের বিষয়গুলো ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের আওতায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলো এ দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সহযোগিতা করবে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, হালাল পণ্যের বৈশ্বিক বাজার ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হালাল মান ও সনদ ব্যবস্থার গুরুত্বও বাড়ছে। মুসলিম ভোক্তাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের হালাল পণ্য ও সেবার গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে একটি সুসংগঠিত ও মানসম্মত হালাল সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের আওতায় হালাল স্ট্যান্ডার্ড ও সার্টিফিকেশন অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এ খাতে সরকারি নীতিগত সমন্বয় আরও সুসংহত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এর মাধ্যমে হালাল পণ্যের মান, উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ, সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং ভোক্তাদের আস্থা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে।[BANGVIEWS-POST:4396]উল্লেখ্য, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে হালাল সার্টিফিকেশন কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। দেশের বিভিন্ন উৎপাদনকারী ও রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানের হালাল পণ্য ও সেবার বিষয়ে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সনদ প্রদানের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে হালাল পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হালাল পণ্য ও সেবার মানোন্নয়ন, সনদ প্রদানের প্রক্রিয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক হালাল বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও সম্প্রসারিত হওয়ার পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।