স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক
ঢাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।[BANGVIEWS-POST:623]বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার এবং দীর্ঘদিনের সহযোগী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই লন্ডনে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই বৈঠক দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।[BANGVIEWS-POST:633]স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।আলোচনায় অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন, পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং তা দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করে বাংলাদেশ। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা জরুরি।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।