চাঁদে মানুষ পাঠানোর পথে স্পেসএক্সের বড় সাফল্য
মানুষকে আবারও চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে স্পেসএক্স। প্রতিষ্ঠানটির তৈরি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও শক্তিশালী রকেট স্টারশিপের ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।পরীক্ষামূলক অভিযানে রকেটটি মহাকাশে স্যাটেলাইট স্থাপনের পাশাপাশি নির্ধারিত এলাকায় সফলভাবে অবতরণ করেছে। এই সাফল্য ভবিষ্যতের চন্দ্র ও মঙ্গল অভিযানের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের স্টারবেস উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে স্টারশিপটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি চলতি বছরে রকেটটির দ্বিতীয় পরীক্ষামূলক ফ্লাইট।[BANGVIEWS-POST:2694]প্রায় ৪০৭ ফুট দীর্ঘ রকেটটি উৎক্ষেপণের পর পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক পথ অতিক্রম করে মহাকাশে ২০টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট স্থাপন করে। মিশন শেষে রকেটটি পরিকল্পনা অনুযায়ী ভারত মহাসাগরে অবতরণ করে।এর আগের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে অবতরণের সময় রকেটটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল। তবে এবারের অভিযানে রকেটটি তুলনামূলকভাবে আরও নিখুঁতভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে স্পেসএক্স।স্পেসএক্সের প্রকৌশলী কেট টাইস বলেন, পরীক্ষামূলক ফ্লাইটের ফলাফল নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আশাবাদী। উৎক্ষেপণ করা কয়েকটি স্যাটেলাইটে বিশেষ ক্যামেরা রয়েছে, যেগুলো রকেটের হিট শিল্ড বা তাপ প্রতিরোধক অংশের ছবি ধারণ করে পৃথিবীতে পাঠাবে।এসব ছবি ও তথ্য বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে রকেটের নিরাপত্তা ও সক্ষমতা আরও উন্নত করা হবে।[BANGVIEWS-POST:2690]নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এ সাফল্যের জন্য স্পেসএক্সের সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানান।তিনি বলেন, এই পরীক্ষামূলক ফ্লাইট থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা নাসার আর্টেমিস-৩ মিশনের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরগুলোতে মানুষকে চাঁদে এবং পরবর্তী সময়ে মঙ্গলে পাঠানোর অভিযানে স্টারশিপ ব্যবহার করা হতে পারে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে রকেটটির সক্ষমতা যাচাই ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে স্পেসএক্স।