বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন সৌদি রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় রিয়াদ। পারস্পরিক সম্মান, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দুই দেশের সম্পর্ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে সৌদি আরব গভীরভাবে মূল্যায়ন করে এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।জাতীয় দিবস উপলক্ষে সৌদি আরবের বাদশাহ ও দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম কিং সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ এবং ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রদূত।তিনি বলেন, জাতীয় দিবস সৌদি নাগরিকদের কাছে গর্ব ও ঐতিহাসিক তাৎপর্যের একটি উপলক্ষ। এ দিনে দেশটির প্রতিষ্ঠাতা কিং আবদুল আজিজ বিন আবদুর রহমান আল সৌদের নেতৃত্বে সৌদি আরবের একীভূত হওয়ার ইতিহাস এবং আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে দেশটির অগ্রযাত্রা স্মরণ করা হয়।সৌদি রাষ্ট্রদূত জানান, বর্তমানে দেশটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। বাদশাহ সালমান ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন খাতে সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।তার ভাষ্য অনুযায়ী, তেলনির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতির বহুমুখীকরণ, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন অর্থনৈতিক খাত গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি আরব।একই সঙ্গে পর্যটন, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।রাষ্ট্রদূত বলেন, এসব পরিবর্তন ও অর্জনের পেছনে সৌদি জনগণের দৃঢ় প্রত্যয় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।