ভারতের সাম্প্রতিক তরুণদের আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে রাজনৈতিকভাবে চাপে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনাম ওয়াংচুক। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুধু একটি নির্দিষ্ট ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দেশের তরুণদের মধ্যে পরিবর্তন আনার বিশ্বাস আরও দৃঢ় করেছে।সম্প্রতি বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়াংচুক বলেন, জনগণের দাবি-দাওয়া উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে শিক্ষা খাতের বাইরেও আরও বড় পরিসরের আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে। তার মতে, সাম্প্রতিক আন্দোলন তরুণদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের অধিকার আদায়ের আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করেছে।তিনি বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে তরুণরা উপলব্ধি করেছে যে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে বড় ধরনের পরিবর্তন সম্ভব।[BANGVIEWS-POST:3247]ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলন পরবর্তীতে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন।ওয়াংচুকের দাবি, এই ঘটনাগুলোই প্রমাণ করে যে আন্দোলন সরকারের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিল।তিনি আরও জানান, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে দিল্লিতে টানা ২৬ দিন অনশন করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অনশনের শেষ ছয় দিন তাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে হাসপাতালে রাখা হয়েছিল।