ঢাকা    সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

নবীজি (সা.) কীভাবে কম সময়ে এত বেশি কাজ করেছেন

রাতে ঘুমানোর জন্য ইসলামে নির্দিষ্ট কোনো ঘড়ির সময় বেঁধে দেওয়া হয়নি। তবে হাদিসে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর রাতের রুটিন সম্পর্কে যে নির্দেশনা পাওয়া যায়, তাতে ইশার নামাজের পর অপ্রয়োজনীয়ভাবে রাত জাগা এড়িয়ে দ্রুত ঘুমানোর প্রতি উৎসাহ পাওয়া যায়।হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইশার নামাজের আগে ঘুমানো এবং ইশার নামাজের পর অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন। এ থেকে বোঝা যায়, প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে ইশার নামাজের পর অতিরিক্ত রাত জাগার পরিবর্তে ঘুমিয়ে পড়া উত্তম।তবে ‘রাত ১০টা’ বা ‘রাত ১১টায়’ ঘুমানোই সুন্নত—এমন নির্দিষ্ট কোনো সময় হাদিসে নির্ধারণ করা হয়নি। কারণ নামাজের সময় ঋতু ও স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।ইসলামি জীবনব্যবস্থায় রাতের ঘুমের পাশাপাশি শেষ রাতে জেগে তাহাজ্জুদ আদায় এবং ফজরের নামাজের প্রস্তুতিরও গুরুত্ব রয়েছে। ফলে একজন মুসলিমের জন্য এমনভাবে ঘুমের সময় নির্ধারণ করা উত্তম, যাতে পর্যাপ্ত বিশ্রামের পাশাপাশি শেষ রাতে ইবাদত এবং ফজরের নামাজ আদায় করা সম্ভব হয়।রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনযাপনে সময়ের সুশৃঙ্খল ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দিনের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি রাতের একটি অংশ ইবাদতের জন্য রাখতেন। তাই ঘুমের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত রাত জেগে সময় নষ্ট না করে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নেওয়া এবং ইবাদতের জন্য সময় রাখা ইসলামের সামগ্রিক শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।এ ক্ষেত্রে ব্যক্তির কাজ, শারীরিক প্রয়োজন এবং স্থানীয় নামাজের সময় অনুযায়ী ঘুমের রুটিন ভিন্ন হতে পারে। মূল বিষয় হলো—ইশার পর অপ্রয়োজনীয় রাত জাগা এড়িয়ে পর্যাপ্ত ঘুম নেওয়া এবং ফজরের নামাজসহ প্রয়োজনীয় ইবাদতের জন্য সময়মতো জাগা।

নবীজি (সা.) কীভাবে কম সময়ে এত বেশি কাজ করেছেন