ঢাকা    শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

সাজেক পর্যটন কেন্দ্র খুলে দিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম

পার্বত্য চট্টগ্রামের জনপ্রিয় সাজেক পর্যটন কেন্দ্র আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেওয়ার জোর দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের সরকারি কলেজ গেটের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের শাপলা চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আঞ্চলিক দুই সংগঠনের আধিপত্য বিস্তারের বিরোধের জেরে দফায় দফায় সাজেক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ায় পর্যটন শিল্প মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অক্টোবর থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও ঘন ঘন অবরোধ কর্মসূচির কারণে সাজেকে ঘুরতে আসা পর্যটকরা যেমন ভোগান্তিতে পড়ছেন, তেমনই চরম বেকারত্বে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় হোটেল-রিসোর্ট কর্মচারী, গাড়িচালক ও পরিবহন শ্রমিকরা।যানবাহন মালিক সমিতির সভাপতি আয়ুস চাকমা বলেন, “পর্যটন এই অঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকলে খেটে খাওয়া মানুষ বেকার হয়ে পড়ে। বারবার অবরোধের কারণে আমরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। দ্রুত সাজেক খুলে না দিলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”একই সুরে ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ইটাব)-এর সদস্য উজ্জ্বল দে বলেন, নামসর্বস্ব সংগঠনের প্রেস রিলিজের মাধ্যমে ডাকা অবরোধে পর্যটনের বড় বড় বিনিয়োগ ধ্বংসের মুখে পড়ছে। তিনি অবিলম্বে সাজেক উন্মুক্ত করে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।উল্লেখ্য, আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফ-সমর্থিত ‘সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’ ও ‘গণঅধিকার রক্ষা কমিটি’ জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সদস্যদের এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়াসহ তিন দফা দাবিতে গত ২২ অক্টোবর থেকে সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ পালন করছে। অবরোধের দ্বিতীয় দিনে কোনো পিকেটিং বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সাজেক পর্যটন কেন্দ্র খুলে দিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম