হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা হতে হবে রোগীবান্ধব: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, হাসপাতাল মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা। তাই রোগীদের দ্রুত, নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি সেবার পরিবেশও রোগীবান্ধব করতে হবে।সোমবার দুপুরে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।[BANGVIEWS-POST:2619]তথ্যমন্ত্রী বলেন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে রোগীরা আরও উন্নত সেবা পাবেন।তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।হাসপাতাল পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, হাসপাতাল শুধু চিকিৎসা দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি মানুষের বিশ্বাসের জায়গা। রোগীরা যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই দ্রুত চিকিৎসা পান, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।[BANGVIEWS-POST:2617]তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক ও নার্সদের আন্তরিকতা এবং পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি হাসপাতালের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা থাকা জরুরি। প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু করা গেলে চিকিৎসা কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সহজ হবে।তথ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, দায়িত্বশীলতা ও কার্যকর সেবার বিকল্প নেই। বড় উন্নয়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি রোগী ও তাদের স্বজনদের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানেও গুরুত্ব দিতে হবে। সরকারের প্রতিটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা।হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর, কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ার হোসেন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম এবং হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. নাজমুল আহসান বক্তব্য দেন।