ঢাকা    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

দেবদাস থেকে শ্রীকান্ত, পর্দায় শরৎচন্দ্রের গল্পের ১৫০ বছর

আজ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। এক দেড়শ বছর অতিক্রম করেও তাঁর প্রেম, সংসার ও সামাজিক দৃষ্ঠিভঙ্গির গল্পগুলি ভারতীয় উপমহাদেশের সিনেমায় অমলিন হয়ে আছে। নির্বাক সিনেমা থেকে শুরু করে ওটিটি যুগে এসে এসে শরৎচন্দ্রের চরিত্র ও কাহিনি নানা সময়ের সংস্করণে পরিণত হয়েছে।দেবদাস চরিত্রটি প্রমথেশ বড়ুয়া, কুন্দনলাল সায়গল, দিলীপ কুমার, বুলবুল আহমেদ, শাহরুখ খান এবং বাংলাদেশের শাকিব খানসহ বহু জনপ্রিয় অভিনেতার মাধ্যমে বহু প্রজন্মের কাছে পরিচিত। একইভাবে পার্বতী, ললিতা, রাজলক্ষ্মী, বিজয়া, চন্দ্রমুখী প্রভৃতি চরিত্রও নানা কালে বদলে এসেছে।বাংলাদেশেও শরৎচন্দ্রর 'দেবদাস' দুবার চলচ্চিত্র হয়েছে। ১৯৮২ সালে বুলবুল আহমেদ, কবরী ও আনোয়ারাদের নিয়ে ও ২০১৩ সালে শাকিব খান, অপু বিশ্বাস ও মৌসুমী অভিনীত ছবি মুক্তি পেয়েছিল।হিন্দি সিনেমায়ও শরৎচন্দ্রের 'পরিণীতা', 'মেজদিদি', 'দত্তা', 'পণ্ডিতমশাই' ইত্যাদি গল্প বিভিন্ন সময় নির্মিত হয়েছে। বিশেষ করে দিলীপ কুমার ও সুচিত্রা সেন অভিনীত ১৯৫৫ সালের 'দেবদাস' ও সঞ্জয় লীলা বানসালির ২০০২ সালের জাঁকজমকপূর্ণ সংস্করণ উল্লেখযোগ্য।নতুন প্রযুক্তির যুগে শরৎচন্দ্রের গল্প পেয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও অভিনব রূপ, যেমন 'চরিত্রহীন' ও 'শ্রীকান্ত' ওয়েব সিরিজ। এখানেই গল্পের চরিত্র ও সম্পর্ককে আধুনিক সমাজে সামঞ্জস্য করে চলচ্চিত্র নির্মাতারা নতুন গল্পও তৈরি করছেন।চলচ্চিত্র গবেষকরা বলেছেন, শরৎচন্দ্রের গল্প এবং চরিত্র আজকের আধুনিক সমাজের প্রেম, প্রত্যাখ্যান, সামাজিক বৈষম্য ও নারীর অবস্থানের মতো সমস্যাগুলোর সঙ্গে এখনও প্রাসঙ্গিক। প্রতি প্রজন্মেই শরৎচন্দ্রের গল্প নতুনভাবে জীবন পায়।

দেবদাস থেকে শ্রীকান্ত, পর্দায় শরৎচন্দ্রের গল্পের ১৫০ বছর