রামপুরা হত্যা মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চার আসামির নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে।পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।[BANGVIEWS-POST:4998]ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, মোহাম্মদ অলি মিয়াসহ অন্যরা।শুনানিতে প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম বলেন, মামলায় বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় সময় চাওয়া হয়েছে।বিচারক আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আপত্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তারা আপত্তি জানাননি। পরে ট্রাইব্যুনাল ১৬ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করেন।এর আগে, গত ২০ আগস্ট এ মামলায় ১২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে রাতুল হাসান নামের এক শিক্ষার্থী জবানবন্দি দেন।মামলার আসামিদের মধ্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম এবং বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলমকে বুধবার সকালে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।এ মামলায় পলাতক রয়েছেন ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।[BANGVIEWS-POST:4997]এর আগে ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রামপুরায় ২৮ জন নিহত হন এবং অনেকে আহত হন। এ ঘটনায় তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চারজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।