ঢাকা    সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ঝুঁকিতে ২০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি

সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরে। দীর্ঘদিন যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় সংসদ ভবনের বিভিন্ন অংশে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।শুধু মূল ভবন নয়, সংসদের দক্ষিণ প্লাজা, ভিআইপি বাংলো, মন্ত্রী হোস্টেল, পুরাতন সংসদ সদস্যদের হোস্টেল ও সচিব হোস্টেলেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার নিচে অবস্থিত মেইন মেকানিক্যাল প্ল্যান্ট (এমএমপি) রুমে বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়ছে। সেখানে সংসদের কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, জিআইএস প্যানেল, ছয়টি জেনারেটর, বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি রয়েছে।[BANGVIEWS-POST:5030]সংশ্লিষ্টদের মতে, এমএমপিতে থাকা প্রায় ২০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি পানির কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে। পানি বিদ্যুৎ পরিবাহী হওয়ায় শর্টসার্কিট থেকে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।পরিস্থিতি সামাল দিতে যন্ত্রপাতির ওপর অস্থায়ীভাবে টিনের ছাউনি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে পানি পড়া বন্ধ করতে গ্লাস ব্রিকসের জয়েন্ট মেরামত এবং ছাদ পানি প্রতিরোধী করার কাজ চলছে।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাময়িক সমাধানের মাধ্যমে এই সমস্যা পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে লুই আই কানের নকশায় নির্মিত দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, সংসদ ভবনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।[BANGVIEWS-POST:5029]এর আগে সদ্য সমাপ্ত বাজেট অধিবেশনে সরকারি দলের হুইপ জিকে গউছ সংসদ ভবনের ছাদ থেকে পানি পড়ার বিষয়টি সংসদের নজরে আনেন। তিনি বলেন, মসজিদের সামনে বৃষ্টির পানি পড়ার কারণে বালতি দিয়ে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও সংসদ ভবনের পানি পড়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন। পরে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জানান, সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।জানা গেছে, পানি পড়ার স্থানগুলো মেরামতের কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। তবে কাজের ধীরগতি নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে।সূত্র: দৈনিক যুগান্তর

ঝুঁকিতে ২০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি