ঢাকা    রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ভারতের সঙ্গে সমঝোতা হলেই চালু হবে মোগলহাট স্থলবন্দর

ভারতের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চুক্তি ও সমঝোতা হলে লালমনিরহাটের দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান। বাংলাদেশের অংশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবল প্রস্তুতের সক্ষমতা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে মোগলহাট স্থলবন্দর এলাকা পরিদর্শন শেষে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মোগলহাট জিরো পয়েন্টে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।রাজীব আহসান বলেন, মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর বিষয়ে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির সঙ্গে সরকার একমত। এরই মধ্যে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এলাকা পরিদর্শন করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছেন।তবে আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হওয়ায় শুধু বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে এটি চালু করা সম্ভব নয় বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। ভারতের অংশেও বন্দর কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সমঝোতা থাকতে হবে। দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি হলে বন্দরটি পুনরায় সচল করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।বন্দর চালুর ক্ষেত্রে নদীর ওপর প্রয়োজনীয় সেতু, সড়ক যোগাযোগ, শুল্ক স্টেশনসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। মোগলহাট স্থলবন্দর চালু হলে লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আমদানি-রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে জানান রাজীব আহসান।এর আগে মোগলহাট স্থলবন্দর এলাকা পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। পরে তিনি জানান, বন্দরটি চালু করা এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। কীভাবে দ্রুত এটি চালু করা যায়, সে বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।তবে আন্তর্জাতিক বন্দর হওয়ায় ভারতের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চুক্তি ও সমঝোতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে জানান ত্রাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তির কথা শোনা গেলেও বাস্তবে কোনো চুক্তি হয়নি। বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।মতবিনিময় সভায় বন্দরটি পুনরায় চালুর সম্ভাব্যতা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং এটি চালু হলে স্থানীয় ও আঞ্চলিক অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনজারুল মান্নান। এ সময় লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহাঃ রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের সঙ্গে সমঝোতা হলেই চালু হবে মোগলহাট স্থলবন্দর