ঢাকা    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মেঘনায় নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার, ১১ জেলের কারাদণ্ড

চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকারের দায়ে ১১ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার তিনটি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।এর আগে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনা নদীর বিভিন্ন নৌ সীমানায় জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছ শিকারের অভিযোগে ১১ জেলেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।এ সময় আটক জেলেদের কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং মাছ ধরার তিনটি নৌকা জব্দ করা হয়।পরে আটক ১১ জেলের বিরুদ্ধে ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন’ অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বরকত উল্লাহ। আদালত ১১ জনের মধ্যে সাতজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।অন্য চারজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দ করা তিনটি নৌকা ও অবৈধ কারেন্ট জাল বর্তমানে নৌ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।তিনি বলেন, নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।অভিযানকালে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হকসহ নৌ পুলিশের একাধিক টিম উপস্থিত ছিলেন।

মেঘনায় নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার, ১১ জেলের কারাদণ্ড