‘মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি’, বিয়ে করলেন মিস্টার বিস্ট
দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনকে বিয়ে করেছেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ইউটিউবার জিমি ডোনাল্ডসন, যিনি মিস্টার বিস্ট নামে পরিচিত।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে খবরটি জানান ২৮ বছর বয়সী এই কনটেন্ট নির্মাতা। পোস্টে তিনি লেখেন, “আমি মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি এবং এটি ছিল আমার জীবনের সেরা দিন।”ক্যারিবীয় অঞ্চলে ব্রিটিশ ব্যবসায়ী রিচার্ড ব্র্যানসনের ব্যক্তিগত নেকার আইল্যান্ডে তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়। পরিবার, বন্ধু ও ঘনিষ্ঠজন মিলিয়ে প্রায় ৭০ জন অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ১৪ জুলাই থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী আয়োজনে বিয়ের পাশাপাশি অতিথিদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম রাখা হয়েছিল।[BANGVIEWS-POST:2284]বিশাল বাজেটের ভিডিও ও চমকপ্রদ আয়োজনের জন্য পরিচিত মিস্টার বিস্ট নিজের বিয়েটিকে গণমাধ্যমের প্রচার থেকে দূরে রাখতে চেয়েছিলেন। বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা পরিচালনা করেন তাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ একজন বন্ধু।অনুষ্ঠানে থিয়া বয়সেন নিকোল অ্যান্ড ফেলিসিয়ার তৈরি বিশেষ নকশার আইভরি রঙের গাউন পরেছিলেন। ফুল ও লেসের কারুকাজ করা গাউনটির সঙ্গে ছিল লম্বা ওড়না। অন্যদিকে মিস্টার বিস্টকে সাদা টাক্সিডো জ্যাকেট, কালো ট্রাউজার ও কালো বো-টাইয়ে দেখা যায়।বিয়ের সপ্তাহজুড়ে অতিথিদের জন্য স্নরকেলিং, কাইট সার্ফিং ও দ্বীপ ভ্রমণসহ বিভিন্ন আয়োজন ছিল। অনুষ্ঠানে সুশি, ওয়াগিউ গরুর মাংসসহ নানা খাবার পরিবেশন করা হয়। বিয়ের কেক হিসেবে রাখা হয়েছিল থিয়ার পছন্দের ক্যারট কেক।২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় মিস্টার বিস্ট ও থিয়ার প্রথম পরিচয় হয়। একজন অভিন্ন বন্ধুর আয়োজিত নৈশভোজে তারা প্রথম দেখা করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত কথাবার্তার মধ্য দিয়ে তাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়।২০২৪ সালের বড়দিনে পারিবারিক পরিবেশে থিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন মিস্টার বিস্ট। পরে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তারা বাগদানের খবর প্রকাশ করেন। শুরু থেকেই বড় কোনো প্রকাশ্য আয়োজনের পরিবর্তে ব্যক্তিগত দ্বীপে ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে বিয়ের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন তারা।[BANGVIEWS-POST:2282]দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক থিয়া বয়সেন নিজেও একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর, গেমার, লেখক ও ই-স্পোর্টস ধারাভাষ্যকার। তিনি মনোবিজ্ঞান ও আইন বিষয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসাইকোলজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।বিয়ের পর থিয়া জানিয়েছেন, তাদের সম্পর্কের শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল সংসার গড়া। আনুষ্ঠানিক বিয়ের মাধ্যমে সেই সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু হলেও মানসিকভাবে তারা অনেক আগে থেকেই নিজেদের জীবনসঙ্গী হিসেবে বিবেচনা করতেন।