মিরপুরে শ্রমিক সেজে আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ: রাশেদ খাঁন
রাজধানীর মিরপুরে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের চলমান বেতন বৃদ্ধির আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে গার্মেন্টসকর্মী সেজে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ বা পতিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মাঠে নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। তাঁর অভিযোগ, শ্রমিকদের মুখোশ পরে তারাই মূলত মিরপুরে পুলিশ বক্সে হামলা ও পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের মতো নাশকতা চালিয়েছে।রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক বিস্তারিত পোস্টে তিনি এই রাজনৈতিক অভিযোগ উত্থাপন করেন।ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, ‘আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ আন্দোলনে নেমে এসেছে গার্মেন্টসকর্মী হিসেবে। মিরপুরে কথিত এই শ্রমিক আন্দোলনে মাঠে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজবুল ইসলাম।’তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাধারণ শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে আন্দোলনে আগে থেকেই ইন্ধন জুগিয়ে আসছিল জামায়াত ও এনসিপি। মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনের নিচে দায়িত্ব পালনরত পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুরের মতো চরম ধ্বংসাত্মক ঘটনাগুলো পোশাককর্মী নামধারী আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরাই ঘটিয়েছে।পোস্টের শেষাংশে জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলমের একটি সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট সংযুক্ত করে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘বর্তমান বিরোধী দল ও পতিত শক্তি কীভাবে এক হয়েছে, তার একটি স্পষ্ট উদাহরণ হলো সারজিস আলমের ফেসবুক পোস্ট। জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা এভাবেই রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার জন্য আওয়ামী পতিত শক্তিকে উসকে দিচ্ছে।’এর আগে এদিন সকালে মিরপুরে সড়ক অবরোধ চলাকালে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করার খবর পাওয়া যায়। অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসনও দাবি করেছে যে শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী চক্র যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।