ঢাকা    রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ৩০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ইরান যুদ্ধে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরো মজুত ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিরুদ্ধে পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী তাদের অত্যন্ত নিখুঁত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরো মজুত ব্যবহার করে ফেলেছে। এতে ভবিষ্যতে বড় কোনো সংঘাতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতি ও প্রতিরোধক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংশ্লিষ্ট তথ্য সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তির বরাতে রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যবহৃত অস্ত্রগুলোর মধ্যে প্রধানত ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) এবং আধুনিক প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম) রয়েছে। দুটি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এসব ক্ষেপণাস্ত্রের ‘কার্যত পুরো মজুত’ ব্যবহার করেছে।[BANGVIEWS-POST:3136]তবে নিরাপত্তার কারণে সূত্রগুলো অবশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্রের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেনি। রয়টার্সও স্বাধীনভাবে মার্কিন অস্ত্রভান্ডারের হিসাব দেখতে পারেনি।দূর থেকে নিরাপদ অবস্থানে থেকে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষেত্রে এসব ক্ষেপণাস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা এটিএসিএমএস ইউক্রেন যুদ্ধেও রাশিয়ার অভ্যন্তরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে। অন্যদিকে পিআরএসএম হলো এটিএসিএমএসের পরিবর্তে ব্যবহারের জন্য তৈরি আরও আধুনিক ও দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র।একেকটি ক্ষেপণাস্ত্রের দাম ১০ লাখ ডলারের বেশি। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতেও এ ধরনের অস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে দ্রুত কমে আসা মজুত রাশিয়া ও চীনকে প্রতিহত করার মার্কিন সক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।[BANGVIEWS-POST:3135]আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড যুদ্ধ শুরুর আগে তাদের হাতে থাকা ভূমিভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় সবই ব্যবহার করেছে। পরে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক মজুত থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র এনে ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হয়েছে।অস্ত্রের মজুত নিয়ে প্রশ্নের জবাবে হোয়াইট হাউস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে ট্রাম্প দাবি করেন, বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনেক বেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে এবং প্রয়োজনের তুলনায় তাদের মজুতও বেশি।সূত্র: রয়টার্স

ইরান যুদ্ধে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরো মজুত ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র