কুয়েতের তিন মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে দফায় দফায় ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। তবে ঘাঁটিগুলোতে হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা কুয়েতের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের জবাবে চলমান পাল্টা অভিযানের অংশ হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে।ইরানি সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, ক্যাম্প দোহার গোলাবারুদ ও রসদ সংরক্ষণাগার, আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক এবং ক্যাম্প আরিফজানের একটি গোলাবারুদ ডিপো লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন পাঠানো হয়।বিবৃতিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও প্রতিরোধ অটুট রয়েছে দাবি করে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত থাকলে আঞ্চলিক মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে পাল্টা আঘাত চলবে।তবে ইরানের দাবি করা তিন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী কিংবা কুয়েত সরকার কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তাও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।এদিকে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দেশটির উত্তরাঞ্চলে ইরাক সীমান্তসংলগ্ন আল-আবদালি সীমান্ত ক্রসিংয়ে ‘শত্রুভাবাপন্ন ড্রোন’ হামলা হয়েছে।কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আবদুলআজিজ আল-আতওয়ান জানান, হামলায় সীমান্ত স্থাপনার কিছু বস্তুগত ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হননি। বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ ও পরিদর্শনকারী দল ঘটনাস্থল থেকে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করেছে।ড্রোন হামলার পর সীমান্ত ক্রসিংয়ে আগুন ধরে গেলেও কুয়েতের দমকল বাহিনী তা নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আল-আবদালিতে হামলাটি কারা চালিয়েছে, সে বিষয়ে কুয়েত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষকে দায়ী করেনি।ইরানের সামরিক বাহিনী এর আগেও কুয়েতের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। চলমান সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।সূত্র: ইরানওয়্যার