‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’ নাম বদলে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই’ কর্নারের প্রস্তাব এমপির
দেশের লাইব্রেরি ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তন করে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই’ কর্নারে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নের সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কাছে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার কথা জানান। পাশাপাশি এ বিষয়ে একটি লিখিত পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরিগুলোর তালিকা জমা দেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।[BANGVIEWS-POST:5352]সংসদে মারদিয়া মমতাজ বলেন, আগের সরকারের সময়ে একটি প্রকল্পের আওতায় দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মুজিব কর্নার’ স্থাপন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর এসব কর্নারের নামফলক বা শিরোনাম সরিয়ে নেওয়া হলেও অনেক জায়গায় পাঠাগারগুলো যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে পড়ে রয়েছে।তিনি দাবি করেন, ওই প্রকল্পের আওতায় বিপুল অর্থ ব্যয় করে বিভিন্ন পাঠাগারে বই সরবরাহ করা হয়েছিল। তার মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের বইও ছিল।মারদিয়া মমতাজ বলেন, এসব পাঠাগার ও কর্নার সংস্কার করে সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস ও স্মৃতি তুলে ধরার ব্যবস্থা করা হলে তা সাধারণ মানুষের জন্য উপকারী হবে।[BANGVIEWS-POST:5351]তিনি এ বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা জানতে চান।সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি ও বেসরকারি গ্রন্থাগার রয়েছে। জেলা, উপজেলা থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়েও অনেক পাঠাগার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি জানান, প্রস্তাবিত বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরির তালিকা পাওয়া গেলে তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।