মেঘনায় জাল পাতা নিয়ে জেলেদের সংঘর্ষ, আহত ১০
ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে মাছ ধরার জাল পাতাকে কেন্দ্র করে চারটি ট্রলারের জেলেদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুই জেলেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের জংলারখাল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মৎস্য আড়তদাররা।আহতদের মধ্যে রসিদ মোল্লা মাঝির ট্রলারে থাকা নাহিদ, দুলু কাজী ও ইদ্রিস আলী মাঝিসহ কয়েকজন রয়েছেন। তাদের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়। অপর আহতরা ফারুক কোম্পানি ও হারুন সাঝির মৎস্য আড়তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ট্রলারের জেলে।আহত জেলে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জংলারখাল সংলগ্ন মেঘনায় মাছ ধরার জন্য রসিদ মোল্লা মাঝির ট্রলার থেকে জাল ফেলা হচ্ছিল। এ সময় ফারুক কোম্পানির আড়তের দুটি এবং হারুন সাঝির আড়তের একটি ট্রলারের জেলেরা সেখানে জাল ফেলতে বাধা দেন।এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে রসিদ মোল্লার ট্রলারের পাঁচজন এবং অন্য তিনটি ট্রলারের পাঁচজনসহ মোট ১০ জেলে আহত হন।আহতদের কয়েকজনকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে দুই জেলের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্যদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।জংলারখাল মৎস্যঘাটের আড়তদার ওবায়দুল অভিযোগ করেন, জাল পাতাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে রসিদ মোল্লাসহ তার ট্রলারের জেলেদের মারধর করা হয়েছে।অন্যদিকে মৎস্য আড়তদার ফারুক কোম্পানি ও হারুন সাঝি সংঘর্ষে ১০ জেলে আহত হওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।