ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খাদ্যে ভেজাল ও অনিরাপদ উপাদান শনাক্তে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম জোরদার করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে স্থাপিত একটি মোবাইল ল্যাবরেটরি ভ্যান পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার, ১৪ অক্টোবর সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রবেশের আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নিচে রাখা ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি পরিদর্শন করেন তিনি।ল্যাবরেটরির ভেতরে গিয়ে খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাকে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম এবং এর মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা তদারকির পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করেন।কর্মকর্তারা জানান, ভেজালবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশের ৬৪ জেলায় খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি কার্যক্রম জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে দেশের আটটি মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা দেশের ৬৪টি জেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। অর্থাৎ, খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সবসময় স্থায়ী পরীক্ষাগারে পাঠানোর ওপর নির্ভর না করে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি দ্রুত পরীক্ষা করার সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।এ কার্যক্রম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।আরও বড় পরিসরে এই সক্ষমতা তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৭২টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার ভ্যান সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে।শুধু খাদ্য পরীক্ষা নয়, জনসচেতনতা তৈরির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে এসব ভ্যানে। ভ্যানের বাইরের দিকে থাকা মনিটরে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক ভিডিও প্রচার করা হবে।ফলে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন খাদ্যে ভেজাল ও অনিরাপদ উপাদান শনাক্তের সক্ষমতা বাড়বে, অন্যদিকে মাঠপর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের সচেতনতা তৈরির সুযোগও বাড়বে।

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী