ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে, বন্যার শঙ্কা

উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৯টায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাটেশ্বরী গেজ স্টেশনে নদের পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।একই সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তার পানিও দ্রুত বাড়ছে। এতে জেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।[BANGVIEWS-POST:835]পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণকক্ষের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামের সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। রোববার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দুধকুমার নদের পানি ৯৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে।পাউবো জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও বেড়েছে। আগামী চার দিন এই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। ৩০ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া সংস্থার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম অঞ্চলে আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর আরও একদিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী তিন দিন রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে কুড়িগ্রাম, রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা জেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।তবে রোববার সন্ধ্যার পর উজানে ভারতের দোমোহনী ও গজলডোবা পয়েন্টে তিস্তার পানি কমতে শুরু করায় দেশের অভ্যন্তরেও তিস্তার পানি কমার পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার পূর্বাভাস রয়েছে। ব্রহ্মপুত্রসহ সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়তে থাকলে অন্য নদীর পানি দ্রুত নামতে পারে না। এতে বন্যার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।[BANGVIEWS-POST:836]তিনি বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের প্রয়োজনে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখতে হবে। কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে, বন্যার শঙ্কা