ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

লন্ডনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে যুক্তরাজ্যের নতুন নিরাপত্তা আইনের আওতায় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার প্রতিবাদে তেহরানে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হুগো শর্টারকে তলব করেছে ইরান।বুধবার (১৫ জুলাই) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রদূতকে তলব করে লন্ডনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হয়। ইরানের পশ্চিম ইউরোপবিষয়ক মহাপরিচালক ও সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলিরেজা ইউসেফি তাঁর কাছে তেহরানের আপত্তি তুলে ধরেন।[BANGVIEWS-POST:1944]বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে ইউসেফি যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তকে শত্রুতাপূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন।তিনি বলেন, আইআরজিসির বিরুদ্ধে নেওয়া এই পদক্ষেপের জবাবে ইরান দৃঢ় ও সমপর্যায়ের ব্যবস্থা নেবে। যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্ত কোনো জবাব ছাড়াই পার পাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।ইউসেফি ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক পার্লামেন্টারি বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, আইআরজিসির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতিমালা ও যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক দায়িত্বের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর আগে এক বিবৃতিতে লন্ডনের সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে আখ্যা দেয়।তেহরানের ভাষ্য, আইআরজিসি ইরানের সরকারি সশস্ত্র বাহিনীর অবিচ্ছেদ্য অংশ। দেশটির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়মিত সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বাহিনীটি দায়িত্ব পালন করে।ইরান আরও দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামিক স্টেটসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আইআরজিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।যুক্তরাজ্য নতুন রাষ্ট্রীয় হুমকি মোকাবিলা আইনের ক্ষমতা ব্যবহার করে আইআরজিসিকে তালিকাভুক্ত করেছে। এর ফলে যুক্তরাজ্যে বাহিনীটিকে সমর্থন, সহায়তা বা এর পক্ষে নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ব্রিটিশ সরকারের দাবি, বিদেশি রাষ্ট্রসমর্থিত নজরদারি, নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।[BANGVIEWS-POST:1943]ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তের জবাবে পারস্পরিক ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তেহরান সংরক্ষণ করে। এ পদক্ষেপের সম্ভাব্য রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও আইনি পরিণতির দায় ব্রিটিশ সরকারের ওপর বর্তাবে।এদিকে যুক্তরাজ্যও ইরানের বিরুদ্ধে ইউরোপে বিভিন্ন গোষ্ঠীকে ব্যবহার করে হামলা ও নাশকতার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে তেহরান।সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

লন্ডনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব