ঢাকা    শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ প্রত্যাখ্যান যুক্তরাজ্যের

পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেটের কার্যক্রম বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। তবে তেল আবিবের এই নির্দেশকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, ‘ইউকে মিশন, জেরুজালেম’ নামে তাদের কূটনৈতিক কার্যক্রম যথারীতি চালু থাকবে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে তীব্র কূটনৈতিক বিরোধ তৈরি হয়েছে।ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’আর জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) থেকে ব্রিটিশ কনসাল জেনারেলসহ প্রায় ২০ জন কূটনীতিকের মেয়াদ সমাপ্ত হবে এবং তাদের অবিলম্বে ইসরাইল ত্যাগ করতে হবে। তবে কনস্যুলেটের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ না করে সীমিত পরিসরে এবং কম জনবল নিয়ে ভবনটি ব্যবহারের মৌখিক অনুমতি দিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।ইসরাইলের এই অবস্থান সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। তিনি স্পষ্ট করে জানান, কনস্যুলেট ভবনটি কোনোভাবেই বন্ধ করা হবে না। নতুন নামে মিশনটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কার্যক্রম চালাবে, নিয়মিত কনস্যুলার সেবা প্রদান করবে এবং ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করবে।যুক্তরাজ্য ঐতিহাসিকভাবে পূর্ব জেরুজালেমের ওপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্বের দাবিকে স্বীকৃতি দেয় না, বরং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটিকে ইসরাইল-অধিকৃত ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য করে। ফলে ওই অঞ্চলে পরিচালিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করার কোনো আইনগত অধিকার ইসরাইলের নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে লন্ডন।সম্প্রতি পশ্চিম তীরের অবৈধ ইসরাইলি বসতিগুলোর ওপর যুক্তরাজ্যের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং এসব বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্যিক আমদানি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চরম রূপ নেয়। এর জবাবেই এই পদক্ষেপ নেয় ইসরাইল। উল্লেখ্য, ১৮৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব জেরুজালেমের এই ঐতিহাসিক ব্রিটিশ কূটনৈতিক কার্যালয় জেরুজালেম, পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ব্রিটেনের সংযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আসছে।সূত্র: আল জাজিরা 

পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ প্রত্যাখ্যান যুক্তরাজ্যের