বগুড়ায় হবে বাংলাদেশ-তুরস্ক যৌথ ড্রোন কারখানা
উত্তরাঞ্চলে আন্তর্জাতিকমানের বিমানবন্দর না থাকায় বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম বিএসআরএফ আয়োজিত সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়ায় বিমানঘাঁটির অনুমোদন ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। বিমানবাহিনীর বহরে নতুন যে যুদ্ধবিমান আসবে, সেটিও এই বিমানঘাঁটির বহরে যুক্ত হবে। এছাড়া তুরস্কের সঙ্গে যৌথভাবে যে ড্রোন কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেটিও বগুড়ায় হবে।[BANGVIEWS-POST:1474]নিজ এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, উন্নয়নের বিষয়ে তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। বগুড়ায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করা হলেও বিএনপি করার কারণে দীর্ঘদিন সেগুলো এমপিওভুক্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এখন সেগুলো এমপিওভুক্ত করার চেষ্টা চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।তিনি আরও বলেন, বগুড়ায় নতুন চারটি ইউনিয়ন করা হয়েছে। নামকরণ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তিনটি ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নামকরণ করা হয়েছে।বগুড়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার আসার আগ পর্যন্ত বগুড়ার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। সেখানকার মানুষের চাকরি হয়নি, যাদের চাকরি ছিল তাদের পদায়নও হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সব জেলার সমানতালে উন্নয়নের অংশ হিসেবে বগুড়ার উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে।সন্তানদের ব্যবসা-বাণিজ্য ও দায়িত্ব নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার সন্তান ক্রিকেট বোর্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিল। তবে ব্যবসা-বাণিজ্য দেখার জন্য তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয় এবং সে পদত্যাগ করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, যোগ্যতা অনুযায়ী স্বার্থের সংঘাতের বাইরে থেকে কেউ কিছু করলে তাকে সহযোগিতা করা উচিত।[BANGVIEWS-POST:1473]সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগ প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, তার নির্বাচনী হলফনামা নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে রয়েছে। সব তথ্য উপেক্ষা করে প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর সম্পদ ৮ গুণ বেড়েছে বলা হলে তা কষ্টদায়ক। তিনি বলেন, সম্পত্তি বৈধ না অবৈধ, সেটি তদন্ত করে দেখা হোক।
এ বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য বাজেট রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। বড় বাজেট বাস্তবায়ন যেমন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ, তেমনি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করাও বড় চ্যালেঞ্জ।