ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন খাদ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ

হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড বা ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করে মান প্রণয়ন করা হয়েছে।নতুন মানের আওতায় ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চা সেমাই, ডেকোরেটেড কেক, চিপস ও চানাচুরসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য রয়েছে।সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অংশীজন পরামর্শ সভায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিএসটিআই ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘বাংলাদেশে টিএফএমুক্ত ভোজ্যতেল ও পিএইচও (পার্শিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল) উৎপাদন উৎসাহিতকরণ’ শীর্ষক সভাটির আয়োজন করে।[BANGVIEWS-POST:3874]সভায় বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক বলেন, নিরাপদ ও ট্রান্স ফ্যাটমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদক এবং ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিল্পখাতের বাস্তব পরিস্থিতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও উৎপাদন প্রক্রিয়া বিবেচনায় রেখে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীমসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা সংস্থার প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাট অতিরিক্ত গ্রহণ হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা থেকে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাট নির্মূলের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।[BANGVIEWS-POST:3872]বাংলাদেশে ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণে সরকার ২০২১ সালে ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা’ প্রণয়ন করে। এর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএসটিআই বনস্পতি ও নন-ডেইরি ভেজিটেবল ঘিসহ সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্যের জাতীয় মান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।বিএসটিআই জানিয়েছে, সংশোধিত মানে ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণের আধুনিক প্রয়োজনীয়তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে নিরাপদ ও ট্রান্স ফ্যাটমুক্ত খাদ্যপণ্য উৎপাদনের পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।

ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন খাদ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা ২ শতাংশ