মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজারে সমান সুযোগ চায় বায়রা সাবেক সদস্যরা
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া চলমান থাকাকালীন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সাবেক সদস্যরা দাবি জানিয়েছেন যে, তালিকাভুক্ত ৩১২টি এজেন্সিসহ সকল বৈধ ও যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সিকে সমান সুযোগ প্রদান করা হোক। এ সময় তারা শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট ও একচেটিয়া আধিপত্য বন্ধ, অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের কথাও উল্লেখ করেন।বাতিল হওয়া শ্রমবাজার পুনরায় চালু হলে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা এজেন্সির একচেটিয়া আধিপত্য যেন না গড়ে ওঠে, তা নিশ্চিত করার দাবিও স্মারকলিপিতে স্থান পেয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়োগের সুযোগ বন্ধ করে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া চালানোর কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিবাসন সংক্রান্ত ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমানো, সব যোগ্য মেডিকেল সেন্টারের জন্য সুযোগ নিশ্চিতকরণ এবং বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এর মাধ্যমে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর দাবি করা হয়েছে।এ দাবিগুলো প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সচিব মো. মোখতার আহমেদকে স্মারকলিপি দিয়ে জানানো হয়। সচিব মো. মোখতার আহমেদ বলেন, শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া চলছে এবং কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করেন যে, কোনো মধ্যস্বত্বভোগী সাধারণ কর্মীদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আয় করতে পারবেন না। দালাল ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং ইতোমধ্যে অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নতুন প্রক্রিয়া বিষয়ক প্রশাসনিক কার্যক্রম চলছে এবং চূড়ান্ত প্রক্রিয়া নির্ধারণের পর আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানানো হবে। শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইস্কান্দারের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে।