ঢাকা    শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ঢাকায় সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ার পরিকল্পনা বিসিবির

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তামিম ইকবাল বর্তমানে ভারত সফরে রয়েছেন। শনিবার বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্স পরিদর্শন করার কথা রয়েছে তার।তামিমের সঙ্গে রয়েছেন বিসিবি পরিচালক শাহনিয়ান তানিম। প্রতিনিধি দলটি ভারতের ক্রিকেটার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, পুনর্বাসন ও হাই-পারফরম্যান্স কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করবে।বাংলাদেশে একটি আধুনিক সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রতিষ্ঠার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে বিসিবির। সেই পরিকল্পনাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার আগে বিশ্বের অন্যতম উন্নত ক্রিকেট প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কাঠামো, পরিচালন পদ্ধতি ও প্রযুক্তিগত সুবিধা সম্পর্কে ধারণা নিতেই এই সফর।[BANGVIEWS-POST:2904]পরিদর্শনের সময় খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়ন, স্পোর্টস সায়েন্স, বায়োমেকানিক্স, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং এবং পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন বিসিবি কর্মকর্তারা।বিসিসিআইয়ের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পুরুষ ও নারী জাতীয় দল, ভারত ‘এ’, বয়সভিত্তিক দল এবং বিভিন্ন রাজ্য দলের ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখানে প্রশিক্ষণ, স্পোর্টস সায়েন্স, চিকিৎসা এবং পারফরম্যান্স অ্যানালিটিক্সকে সমন্বিতভাবে ব্যবহারের ব্যবস্থা রয়েছে।বেঙ্গালুরুর এই কেন্দ্রে ভারতের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট কার্যক্রম পরিচালনায় ভিভিএস লক্ষ্মণ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। বিসিসিআই তাকে সেন্টার অব এক্সিলেন্সের হেড অব ক্রিকেট হিসেবে উল্লেখ করেছে।বিসিবির প্রতিনিধিদল কেন্দ্রটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিচালন কাঠামো, জনবল, প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা এবং গবেষণাভিত্তিক ক্রিকেটার উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবে বলে জানা গেছে।[BANGVIEWS-POST:2908]সেন্টারটিতে দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি কোচদের প্রশিক্ষণ, স্পোর্টস সায়েন্স শিক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি পারফরম্যান্স পরিকল্পনার ব্যবস্থা রয়েছে। বিসিসিআই এটিকে ক্রিকেটার, কোচ, রাজ্য একাডেমি ও হাই-পারফরম্যান্স কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে পরিচালনা করছে।বিসিবি বাংলাদেশের ক্রিকেটে তৃণমূল থেকে জাতীয় দল পর্যন্ত একটি সমন্বিত উন্নয়নব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়। প্রস্তাবিত সেন্টার অব এক্সিলেন্সে অনুশীলন, পুনর্বাসন, ফিটনেস, চিকিৎসা, গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণ একই কাঠামোর মধ্যে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ভারতের কেন্দ্রটি পরিদর্শন থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের পরিকল্পিত প্রশিক্ষণকেন্দ্রের নকশা, ব্যবস্থাপনা ও ক্রিকেটার উন্নয়ন নীতি নির্ধারণে কাজে লাগানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকায় সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ার পরিকল্পনা বিসিবির