ঢাকা    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

৪৬টি বন্ধ কারখানা চালু হচ্ছে: টোকিওতে তারেক রহমানের ঘোষণা

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার মান ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ধাপে ধাপে ১০০ থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সাথে দেশের শিল্প উৎপাদন ও অর্থনীতিকে চাঙা করতে ২০২৭ সালের মধ্যে ৪৬টি বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করার সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন তিনি।বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) জাপানের রাজধানী টোকিওর একটি অভিজাত হোটেলে স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটি আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব উন্নয়ন ভাবনার কথা জানান।উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের রূপরেখা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্ধিত শয্যার পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষায়িত শিশু ও গাইনি ওয়ার্ড বাধ্যতামূলকভাবে স্থাপন করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ নিজ এলাকাতেই জটিল চিকিৎসাসেবা পান। এছাড়া বিগত সময়ের বন্ধ হয়ে যাওয়া ৪৬টি কারখানা ২০২৭ সালের মধ্যে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে স্বচ্ছ ও বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার যাবতীয় পরিবেশ নিশ্চিতে বর্তমান সরকার পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করছে।শিক্ষাব্যবস্থার আমূল রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষাব্যবস্থা যত মজবুত হবে, জাতির ভবিষ্যৎ ততটাই উজ্জ্বল হবে।” তিনি জানান, আগামী বছর থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যক্রমে একাধিক বিদেশি ভাষা শিক্ষার সুযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে আগামী জানুয়ারি মাস থেকেই প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে ট্রাফিক আইনের প্রাথমিক পাঠ যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৃণমূল থেকে এমন পরিবর্তনই টেকসই সংস্কারের প্রতীক বলে তিনি মন্তব্য করেন।দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, জাপান সরকার ও তাদের শীর্ষ উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বড় ধরনের শিল্প বিনিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশকে নীতি ও কাঠামোগতভাবে প্রস্তুত হতে হবে। জাপানি বিনিয়োগের হাত ধরে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি প্রবাসীদের নিজ নিজ জায়গা থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ইতিবাচক ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতির মধ্যে বর্তমান সরকারকে দায়িত্ব নিতে হয়েছে। নানা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে হচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিমত বা ভিন্নমত থাকতে পারে, তবে দেশের সার্বিক কল্যাণে ভালো উদ্যোগগুলোতে কারো দ্বিমত থাকার অবকাশ নেই বলে তিনি ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

৪৬টি বন্ধ কারখানা চালু হচ্ছে: টোকিওতে তারেক রহমানের ঘোষণা