পোল্ট্রি খাত উন্নয়নে টেকসই পরিকল্পনার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর
কৃষি খাতের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশের পোল্ট্রি শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও টেকসইভাবে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।তিনি বলেছেন, প্রান্তিক খামারিরা যেন তাদের উৎপাদিত ডিম ও মুরগির ন্যায্যমূল্য পান এবং সাধারণ মানুষ যেন সাশ্রয়ী দামে মানসম্মত ডিম ও মাংস কিনতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন করতে হবে।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।[BANGVIEWS-POST:5509]প্রতিমন্ত্রী বলেন, পোল্ট্রি খাতে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, একই সঙ্গে উৎপাদিত পণ্যের মান নিশ্চিত করতে হবে। বাজারে সরবরাহ বাড়ানো গেলে ডিম ও মুরগির মাংসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা সম্ভব হবে।তিনি বলেন, পোল্ট্রি খাতে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি ডিম, মাংস ও পোল্ট্রি ফিডের মান নিয়মিত পরীক্ষা ও তদারকির মাধ্যমে নিশ্চিত করা জরুরি।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কৃষির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোল্ট্রি শিল্পের পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং প্রান্তিক খামারিদের টিকে থাকতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে সরকার কাজ করবে।তিনি জানান, খামারিদের প্রকৃত সমস্যা ও সম্ভাবনা জানতে মাঠপর্যায়ে সরাসরি মতবিনিময় করা হবে। পর্যায়ক্রমে গাজীপুর, ধামরাই, মানিকগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের প্রান্তিক খামারিদের সঙ্গে আলোচনা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।[BANGVIEWS-POST:5508]প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পোল্ট্রি খাতের উদ্যোক্তা, খামারি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে এই শিল্প আরও শক্তিশালী হবে। দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ আমিষের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা অব্যাহত রাখবে।সভায় সভাপতিত্ব করেন ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (এফআইএবি) ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) সভাপতি মশিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ পোল্ট্রি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।