ঢাকা    শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ইসরায়েল না যুক্তরাষ্ট্র, কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে মার্কিন জেনারেল

ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে পেন্টাগনকে সতর্ক করেছেন ইউরোপে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেভিচ।দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ডের প্রধান গ্রিনকেভিচ চলতি সপ্তাহে পেন্টাগনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিতভাবে এই উদ্বেগ জানিয়েছেন। তার মতে, আরেকটি নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার না পেলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব নিরাপত্তার মধ্যে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হতে পারে।এমন পরিস্থিতিতে তিনি ইসরায়েলের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে বাধ্য হবেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে পেন্টাগন এবং মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ড আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলকে সহায়তা করছে। শক্তিশালী রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সজ্জিত এসব যুদ্ধজাহাজ ইরান ও ইয়েমেনের হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে।রোটা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি ডেস্ট্রয়ার মোতায়েনের ব্যবস্থা থাকলেও চলমান যুদ্ধের উচ্চমাত্রার তৎপরতার কারণে জাহাজগুলোর রক্ষণাবেক্ষণেও চাপ তৈরি হয়েছে। আরেকটি ডেস্ট্রয়ার চলতি বছরের শেষ দিকে সেখানে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার ভূমধ্যসাগরে ইউএসএস পল ইগনেশিয়াস ও ইউএসএস রুজভেল্ট অবস্থান করছিল। আরও তিনটি ডেস্ট্রয়ার স্পেনের রোটা বন্দরে ছিল। তবে সব জাহাজ একই সময়ে অভিযানের জন্য প্রস্তুত আছে কি না, নিরাপত্তার কারণে সেই তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক নৌপথ রক্ষার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় কমান্ডকে ন্যাটো অঞ্চল ও সম্ভাব্য রুশ হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হচ্ছে।সূত্র : দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

ইসরায়েল না যুক্তরাষ্ট্র, কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে মার্কিন জেনারেল